mymandir Bangla Jul 17, 2019

ॐ অকল্মষায নমঃ .
ॐ অগ্নিগর্ভচ্চিদে নমঃ .
ॐ অগ্রণ্যে নমঃ .
ॐ অজায নমঃ .
ॐ অদ্ভুতমূর্তিমতে নমঃ .
ॐ অধ্যক্ক্ষায নমঃ .
ॐ অনেকাচিতায নমঃ .
ॐ অব্যক্তমূর্তযে নমঃ .
ॐ অব্যযায নমঃ .
ॐ অব্যযায নমঃ .
ॐ আশ্রিতায নমঃ .
ॐ ইন্দ্রশ্রীপ্রদায নমঃ .
ॐ ইক্ষুচাপধৃতে ন...

(पूरा पढ़ें)
+120 प्रतिक्रिया 18 कॉमेंट्स • 69 शेयर
mymandir Bangla Jul 16, 2019

+115 प्रतिक्रिया 13 कॉमेंट्स • 105 शेयर
mymandir Bangla Jul 16, 2019

আজ পবিত্র গুরু পূর্ণিমা৷ পবিত্র গুরুপূর্ণিমা উপলক্ষে শ্রীমৎ স্বামী ভুতেশানন্দজীর কিছু প্রশ্ন-উত্তর প্রসঙ্গ :- প্র : মহারাজ, গুরু কে ? উ: গুরুগীতায় 'গুরু' শব্দটির তাৎপর্য এভাবে ব্যাখা করা আছে -- গুশব্দশ্চান্ধকার: স্যাদ্রুশব্দস্তন্নিরোধক: | অন্ধাকারনিরোধিত্বাৎ গুরুরিত্যাভিধীয়তে || গু শব্দের অর্থ হল অন্ধকার, রু শব্দের অর্থ নিরোধক | অন্ধকার বা অজ্ঞানকে যিনি নিরুদ্ধ করেন তাকে গুরু বলা হয় | গুরুস্তোত্রে আছে - অজ্ঞানতিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জনশলকয়া | চক্ষুরুন্মীলিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরবে নম:|| --- অজ্ঞানতিমিরে আচ্ছন্ন ব্যাক্তি চক্ষুকে যিনি জ্ঞানরুপ শলাকা দ্বারা উন্মোচিত করেন -- তিনিই গুরু | প্র: সদগুরুর লক্ষণ কি ? উ: সদগুরুর কোন আকাঙ্খা , বিষয় কামনা থাকবে না | গুরু যদি শিষ্য করে, তার সঙ্গে কারবার করেন, তাহলে হবে না | গুরু সদগুরু হলে তাঁর সানিধ্যে এলে মন শুদ্ধ হবে | সেই গুরু যে পথে নিজে চলবেন - সেই পথ শিষ্যকে বলে দিতে পারেন | সেই পথে শিষ্য চললে পবিত্র জীবন যাপন করতে পারবে | প্র: গুরুকৃপা কি করে হয় ? উ: গুরুর কৃপা হয় গুরুকে ভালবাসলে | এখন বলবে ভালবাসা কি করে হয় , না, ভালবাসতে বাসতে | প্র: গুরুর প্রতি ভক্তি-শ্রদ্ধা কীভাবে হয় ? উ: বহু জন্ম ধরে একটু একটু করে শুভ কাজ করতে করতে তার একটা শুভ ফল জমা হয় | এইভাবে জমতে জমতে যখন ফল খুব বাড়ে, তখনই গুরুর প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা হয় | প্র: গুরুপূর্ণিমার বিশেষত কি ? উ: পবিত্র গুরুপূর্ণিমা তিথিতে ভক্তেরা তাঁদের নিজ নিজ গুরুকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে থাকেন | গুরুপূর্ণিমাকে ব্যাসপূর্ণিমাও বলা হয় | কারণ, এই তিথিতে ব্যাসদেব জন্মগ্রহন করেছিলেন | প্র: ব্যাসদেবের জন্মতিথিকে গুরুপূর্ণিমা বলা হয় কেন ? উ: এক কথায় বেদ উপনিষদের দুরূহ তত্ত্বগুলিকে পুরাণাদি রচনার দ্বারা সর্বসাধারণের কাছে সহজবোধ্য করেছেন বলে ব্যাসদেব গুরু নামে পূজিত | বেদকে বিভাগ করেছেন বলে বেদব্যাস নামেও খ্যাত | এছারা তিনি সমস্ত উপনিষদের মূল বিষয়গুলিকে সুশৃঙ্খলভাবে লিপিবদ্ধ করে ব্রহ্মসূত্র রচনা করেছেন | অষ্টাদশ পুরানও তাঁরই রচনা বলে কথিত | আবার মহাভারতও তাঁর রচনা | মহাভারতেরই অংশবিশেষ গীতা | যাতে সকল শাস্ত্রের মূল বিষয়গুলি অতি সহজভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে | মহাভারত ও পুরাণাদি ছাড়াও ব্যাসদেবের রচনা বলে কথিত একটি সংহিতা গ্রন্থও আছে, যাতে হিন্দুদের আচার পদ্ধতির বর্ণনা আছে | উনিশটি সংহিতার মধ্যে ব্যাস সংহিতা অন্যতম | প্রঃ গুরু চিনব কি করে ? উঃ গুরুর প্রধান গুন্ হচ্ছে তিনি শাস্ত্রজ্ঞ এবং ব্রহ্মনিষ্ঠ হবেন | তাঁর আচরণ শাস্ত্রসম্মত হবে | স্বার্থবুদ্ধি রহিত হয়ে কেবল শিষ্যের প্রতি করুণাদ্রচিত্তে অজ্ঞানসমুদ্র থেকে উদ্ধারের উপায় উপদেশ করবেন | শ্রোত্রিয় এবং ব্রহ্মনিষ্ঠ - এই দুটি কথা গুরু সম্বন্ধে বলা হয় | শাস্ত্রজ্ঞান না থাকলে প্রকৃত তত্ত্ব বুঝতে পারবে না , আবার ব্রহ্মনিষ্ঠ নাহলে সংশই দূর হয় না | ব্যবহারিক জীবনের গুরুর সঙ্গে আধ্যাত্মিক গুরুর এখানেই পার্থক্য | গুরু কেমন ? না, শোত্রিয়ং ব্রহ্মনিষ্ঠম - শাস্ত্র বিষয়ে অভিজ্ঞ এবং ব্রহ্মস্বরূপে প্রতিষ্টিত | শিষ্য গুরুর কাছে কেমনভাবে যাবে ? ' সমিৎপাণি:' - অর্থাৎ গুরুসেবার উপযুক্ত উপকরণাদি নিয়ে , সেবার ভাব নিয়ে যাবে | পুরান ও উপনিষদের বিভিন্ন স্থানে উল্লেখ আছে, কোন বিদ্যাকে সঠিকভাবে জানতে হলে সে বিদ্যায় অভিজ্ঞ ব্যক্তির শরণাপন্ন হতে হয় | বিশেষত অধ্যাত্মবিদ্যা সম্বন্ধে নির্দেশ আছে যে, যারা সংসার দাবানলতপ্ত - সংসারের দুঃখতাপে জর্জরিত, তারা দুঃখ নিবৃত্তির জন্য গুরুর কাছে গিয়ে একান্তভাবে উপদেশ প্রার্থনা করবে - কিভাবে এই ভবসমুদ্র থেকে উত্তীর্ন হব, আমার প্রকৃত আশ্রয় কোথায়, কী-ই বা সাধনপদ্ধতি গ্রহণ করব - এসব আমি কিছুই জানি না | হে প্রভো , কৃপা করে আপনি আমাকে রক্ষা করুন, আমার সংসার দুঃখ নিবৃত্তির উপায় বলে দিন, প্রকৃত গুরুর যেমন কতকগুলি বিশেষ গুন্ থাকা দরকার, তেমনি শিষ্যেরও অর্থাৎ যে গুরুর কাছ থেকে উপদেশ ও নির্দেশ পেতে চায়, তারও কতকগুলি বিশেষ গুন্ থাকা দরকার | তবেই গুরুর নির্দেশ কার্যকর হবে | সেগুলি হল - পবিত্রতা, গুরুর প্রতি শ্রুদ্ধা ও তাঁর কথায় বিশ্বাস | প্রঃ শ্রীরামকৃষ্ণ সংঘে গুরু পরম্পরার বিশেষত্ব কি ? উঃ শ্রীরামকৃষ্ণের পার্ষদরা সকলেই শ্রীরামকৃষ্ণকেই একাধারে গুরু এবং ঈষ্ট বলতেন | সেই অনুসারে তাঁদের সম্প্রদায়ের গুরু-রা কেউ নিজেকে গুরু মনে করেন না | তাঁরা নিজেদের শ্রীরামকৃষ্ণের সাধনধারার ধারক ও বাহক মাত্র মনে করেন | ঠাকুর-ই গুরু | তবে প্রথমে দীক্ষাগুরুর ভিতরে তাঁকে ভাবতে হয় এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে দীক্ষাগুরুকে ইষ্টে লয় করতে হয় | ধ্যানের পক্ষে এটাই সহজ এবং স্বাভাবিক প্রণালী | এজন্য দীক্ষাগুরুকে প্রথমে সংক্ষেপে ধ্যান করে পরে তাঁকে ইষ্টে লয় করে ইষ্টের ধ্যান করে যেতে হয় | সচ্চিদানন্দই গুরু | তিনি সর্বত্র বিরাজমান তিনি সবসময়ে সকলের অন্তরে রয়েছেন | তিনিই সত্যিকারের গুরু | তাঁকে হৃদয়ে ধ্যান করতে হবে | দীক্ষাগুরু হলেন পথ | তিনি সেই পথে শিষ্যকে নিয়ে যাবেন পরম গুরুর কাছে তাঁর কাছে পৌঁছানোই শিষ্যের পরম লখ্য | শ্রীরামকৃষ্ণ দেব বলতেন, সকলেরই গুরু সেই এক সচ্চিদানন্দ | কিন্তু যেহুতু আমরা তাঁকে সাক্ষাৎভাবে ধরতে পারছি না, এজন্য সাধনের সহায়করূপে কোন মানব গুরুকে আশ্রয় করতে হয় | আবার মানব গুরুর প্রতি ঈশ্বরদৃষ্টি রাখতে হয় | শাস্ত্রের এই নির্দেশ | অর্থাৎ মানব গুরু হলেন সেই ঈশ্বর গুরুর প্রতীক বা প্রতিমা | সুতরাং যখনি আমরা বলছি - গুরু, ঈষ্ট এক বা গুরু শিষ্যের সঙ্গে সঙ্গে থাকবেন, তা এই শাস্ত্রীয় দৃষ্টিকে লখ্য করেই বলা হয় | মানব গুরু তাঁর সাধ্যানুসারে শিষ্যকে চরম লক্ষ্যে , অর্থাৎ ঈশ্বরানুভূতিতে পৌঁছাতে সাহায্য করেন | কিন্তু সচ্চিদানন্দগুরু সাধককে তাঁর স্বরূপপ্রাপ্তির পথে এগিয়ে নিয়ে যান এবং তিনিই সাধকের সাধনপথের সর্বদা সঙ্গী , পথনির্দেশক ও চরম লখ্য | প্র: শিষ্যের কি যোগ্যতা থাকা দরকার ? উ: অভীষ্ট আদর্শে পৌঁছানোর জন্য তার ঐকান্তিক আগ্রহ থাকা চাই | ✓✓ কৌতুহল চরিতার্থ করবার জন্য দীক্ষা নেব - এরকম যেন না হয় | গুরুর নির্দেশের প্রতি পরম নিষ্ঠা থাকা চাই | শিষ্যের চরিত্র শুদ্ধ হতে হবে | গুরু এবং শিষ্য উভয়েরই চরিত্র-শুদ্ধির ওপর সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে | শিষ্যকে বিনীত হতে হবে, উদ্ধত নয় | গভীর শ্রদ্ধার ভাব না থাকলে গুরুর আশ্রয় নেওয়া সম্ভব নয় | কিন্তু গুরুকরণের পূর্বে তাঁকে যথাসম্ভব পরীক্ষা করে নেওয়া প্রয়োজন হলেও গুরুপদ বরণ করার পরে নিষ্ঠার সঙ্গে তাঁর অনুসরণ করা শিষ্যের একান্ত প্রয়োজন | গুরুর জ্ঞান-সম্ভার গ্রহণে শিষ্যের নম্রতাই তাকে উপযুক্ত আধারে পরিনত করে | বিনয়, ঐকান্তিকতা, পবিত্রতা এবং সেবার মনোভাব না থাকলে গুরুসঙ্গ করে কোন লাভ হবে না | 🙏🙏

+96 प्रतिक्रिया 8 कॉमेंट्स • 146 शेयर
mymandir Bangla Jul 15, 2019

+69 प्रतिक्रिया 15 कॉमेंट्स • 45 शेयर
mymandir Bangla Jul 13, 2019

+70 प्रतिक्रिया 19 कॉमेंट्स • 117 शेयर
mymandir Bangla Jul 12, 2019

🚩আজ প্রভু জগন্নাথ দেবের পূর্ণযাত্রা 🚩 শ্রীমন্দির থেকে ভাই বোন কে নিয়ে জগন্নাথ দেবের তাঁর মাসির বাড়ি অর্থাৎ গুন্ডিচা মন্দির থেকে ফেরার দিন আজ। কিন্তু যে রথে চড়ে এনারা যাত্রা করেন,তা মোটেই কোন স্বাভাবিক রথ নয়। এই রথের মধ্যে লুকিয়ে আছে আরো অনেক রহস্য, অনেক অজানা তথ্য, বহু দেব ও দেবীগণ। 💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐 🌷🌿🚩 জগন্নাথদেবের রথ 🚩🌿🌷 💠দারুহরি জগন্নাথদেব যে রথে বিরাজ করেন, সেটির নাম- #নন্দীঘোষ। অনেকে রথটিকে 'গরুড়ধ্বজ' বা 'কপিধ্বজ'ও বলে থাকেন। 💠রক্ত ও পীত অর্থাৎ লাল ও হলুদ বস্ত্রদ্বারা রথটি আচ্ছাদিত থাকে। ❤💛 💠রথের ১৬টি চাকা, প্রতিটির ব্যস ৭ ফুট। ১৬টি চাকা চন্দ্রের ষোলটি কলার প্রতীক, কারণ রথের আরোহী ষোলকলাযুক্ত জগন্মোহন হলেন স্বয়ং পূর্ণব্রহ্মের পূর্ণপ্রকাশ। 💠রথটির উচ্চতা প্রায় ৪৫ ফুট এবং ৮৩২টি কাষ্ঠখণ্ড দ্বারা নির্মিত। 💠রথের উপরে যে পতাকাটি উড্ডীন, তার নাম "ত্রৈলোক্যমোহিনী"। 🚩 💠রথের সম্মুখে চারটে সাদা ঘোড়া সংযুক্ত রয়েছে। অশ্ব চারটির নাম- 'শঙ্খ', 'বলাহক','শ্বেত' ও 'হরিদাশ্ব'। 🎠🎠🎠🎠 💠রথের মুখ "নন্দীমুখ"। 💠রথগাত্রে শঙ্খ ও চক্র চিহ্নদ্বয় সবদিক থেকে দেখা যায়। 💠রথের দড়ির নাম "শঙ্খচূড়"। 💠সুবৃহৎ এই রথটি স্বয়ং গরুড় কর্তৃক সর্বদা রক্ষিত। পণ্ডিতদের মতানুযায়ী দিব্যদেহধারী "জয়" ও "বিজয়" রথের দ্বারদেশে পাহারা দেন।⚔ 💠রথের সারথির নাম 'দারুক'।♐ 💠জগন্নাথ ছাড়াও আরও অনেক দেবদেবীগণ এই রথে থাকেন। বরাহ, গোবর্ধন, কৃষ্ণ, নরসিংহ, রাম, নারায়ণ, ত্রিবিক্রম, হনুমান ও রুদ্র- এই নয়জন দেবতা যাত্রাকালে জগন্নাথদেবের রথে থাকেন। ঋষিগণের মধ্যে থাকেন নারদ, দেবল, ব্যাস, শুক, পরাশর, বশিষ্ঠ, বিশ্বামিত্র ও রুদ্র। পুরীর রক্ষাকর্ত্রী বা শক্তি দেবী বিমলাও সবসময়ে প্রভুর সহিত পূর্ণশক্তিতে আবির্ভূতা এবং রথের প্রধান আসনে আসীন জগদীশ্বর জগন্নাথদেব। 🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 🌷🌿🚩#বলভদ্রের রথ 🚩🌿🌷 💠জগন্নাথদেবের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা বলরাম যে রথে অধিষ্ঠান করেন, তাঁর নাম #তালধ্বজ। 🚩 💠রথটি সবুজ ও লাল বস্ত্রে আচ্ছাদিত❤💚 💠রথের চাকা ১৪টি, প্রতিটির ব্যস ৬ ফুট। ১৪টি চাকা মানে ১৪টি ভুবন। বলভদ্র হল গুরুতত্ত্ব। গুরুতত্ত্বের অধীন ১৪টি ভূবন। 💠রথের উচ্চতা ৪৪ফুট এবং সুবৃহৎ এই রথটি ৭৬৩ কাষ্ঠখণ্ড দ্বারা নির্মিত। 💠রথের সঙ্গে ৪টে কৃষ্ণবর্ণের ঘোড়া সংযুক্ত রয়েছে। অশ্ব চারটের নাম- 'তীব্র', 'ঘোরা', 'দীর্ঘাশ্রম' ও 'স্বর্ণাভ'।🐎🐎🐎🐎 💠সারথির নাম 'মাতলি'। 💠রথের মুখ "কেতুভদ্রমুখ" এবং রক্ষক হলেন 'বসুদেব'। 💠রথগাত্রে প্রথিত রয়েছে "হল" ও "মুষল" অস্ত্রদ্বয়। ⛏ 💠রথোপরি উড্ডীন পতাকাটির নাম "উন্নানি"। 💠রথের দ্বারপাল হিসেবে "নন্দ" ও "সুনন্দ" দুই বলশালী দেব সদা দণ্ডায়মান। 💠রথের দড়ির নাম "বাসুকি"। 💠জগন্নাথের রথের মতো এই রথেও গনেশ, কার্তিকেয়, সর্বমঙ্গলা, প্রলম্বরী, হলায়ুধ, মৃত্যুঞ্জয়, নাট্যম্বর, মুক্তেশ্বর এবং শেষদেব- এই নয়জন পরমশক্তিধর দেবতা শ্রীশ্রীবলরামের সঙ্গে রথে আরোহণ করেন। ঋষিগণের মধ্যে অঙ্গীরা, পুলস্ত্য, পুলহ, অসস্তি, কৃষ্ণ, মুদ্গল, আত্রেয়, কাশ্যপ, প্রভৃতি। ব্রহ্মা ও শিবরূপী শক্তি সর্বদা রথের সাথে সাথে চলায়মান। 🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 🌷🌿🚩 #সুভদ্রাদেবীর রথ 🚩🌿🌷 💠শ্রী বরাদ্দ ও জগন্নাথদেবের পরম আদরের ভগিনী শ্রীশ্রীসুভদ্রার রথটি "দর্পদলন" নামে পরিচিত। "দেবদলন" ও "পদ্মধ্বজ" নামেও এই রথটিকে অভিহিত করা হয়। 💠লাল ও কালো বস্ত্রে ঢাকা এই রথ।❤🖤 💠এই রথটি ৪৩ফুট উঁচু ও ৫৯৩ কাষ্ঠখণ্ড দিয়ে তৈরি। 💠১২টি চাকাযুক্ত(প্রতিটির ব্যস ৫ ফুট) রথটিতে চারটে রক্তিম বর্ণের ঘোড়া রয়েছে। তাদের নাম- 'রোচিকা', 'মোচিকা', 'জিতা' ও 'অপরাজিতা'।🐎🐎🐎🐎 💠রথের সারথি স্বয়ং তাঁর পতি "অর্জুন"। 💠রথের দড়ির নাম "স্বর্ণচূড়া"। 💠রথোপরি উড্ডীন পতাকাটির নাম "নাদাম্বিকা"🚩 💠"পদ্ম" ও "কল্হর" নামক পুষ্পদ্বয় রথগাত্রে প্রথিত। 🌷🏵 💠রথের দ্বারদেশে "গঙ্গা" ও "যমুনা" দ্বাররক্ষিকারূপে দণ্ডায়মান। 💠রথটির মুখ "ভক্তিসুমেধমুখ" বা "চামরহস্তমুখ"। 💠সমগ্র রথটি দেবী জয়দুর্গা প্রতিক্ষণে রক্ষা করে চলেন। 💠জগন্নাথ ও বলরামের রথের মতই এই রথটিতেও বহু দেবদেবীর সমাবেশ। চণ্ডী, চামুণ্ডা, উগ্রতারা, বনদুর্গা, শূলীদুর্গা, বরাহী, শ্যামাকালী, মঙ্গলা ও বিমলা- এই নবদৈবীশক্তিগণ পরিবৃতা হয়ে শ্রীশ্রীসুভদ্রা মাতা রথে আরূঢ় থাকেন। দিব্য ঋষিগণ, যথা- ভৃগু, সুপ্রভ, বজ্র, শৃঙ্গী, ধ্রুব, উল্লুক, প্রভৃতি রথে উপস্থিত থাকেন। রথের শক্তিরূপে ভুবনেশ্বরী সর্বদাই প্রকাশিত। 💠এবং সর্বোপরি উল্লেখযোগায, জগন্নাথদেবের সুদর্শন এই সময়ে তাঁর পাশে নন, শোভা পান সুভদ্রাদেবীর রথে,তাঁরই পাশে। 🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩 🌼রথ চলার সময় কাঠের কড়কড় শব্দ হয়, এটিকে বলা হয় বেদ। 🍁রথ যখন চলে প্রথমে থাকে বলদেবের রথ। কারণ বলদেব দাদা। আবার তিনি জগত গুরুতত্ত্ব। তিনিই তো নিত্যানন্দ । সবার জীবনে আগে গুরুকৃপা আসতে হবে। তাই বলরামের রথ সর্বপ্রথম। 🍁তারপর চলে সুভদ্রার রথ। সুভদ্রা হল ভক্তি তত্ত্ব। গুরুকৃপার পর আসে ভক্তিমহারাণী। কারণ ভক্তির ঠিকানা শ্রীগুরুপদে। 🌼তারপর যায় জগন্নাথের রথ। প্রথমে গুরুদেব, তারপর ভক্তি, তারপর ভগবান।। 🙏।।জয় জগন্নাথ। জয় সুভদ্রা। জয় বলরাম।।🙏

+75 प्रतिक्रिया 19 कॉमेंट्स • 74 शेयर
mymandir Bangla Jul 11, 2019

🌼🌼আগামীকাল শুরু হবে চাতুর্মাস্য ব্রত🌼🌼 চাতুর্মাস্য কি, এবং কেন?? চাতুর্মাস্য চলা কালীন কি কি করণীয়? ?? (কৃপা করে সবাই পালন করবেন ) শ্রাবণ-ভাদ্র-আশ্বিন ও কার্তিক এ চারমাস শ্রীভগবান বিষ্ণু ক্ষীর সাগরে শ্বেতদ্বীপে অনন্ত শয্যায় নিদ্রিত হন। বলা হয় শয়নী একাদশী (জগন্নাথ রথযাত্রার পর আষাঢ়ী শুক্লা একাদশী) তিথিতে ভগবান শয়ন গ্রহণ করেন। পার্শ্ব একাদশী (ভাদ্র শুক্লা একাদশী)তে পার্শ্ব পরিবর্তন করেন, এবং উত্থান একাদশী (কার্তিক শুক্লা একাদশী)তে উত্থিত হন। বছরের এই চার মাস প্রাকৃতিক কারণে মানুষের দেহ ও মনে রজো ও তমোগুণী প্রভাব অধিক দেখা যায়। অঘটন বেশী ঘটে। তাই কায়মনোবাক্যে সংযত থাকা বাঞ্ছনীয়। কোনও কোনও বিষয়ে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। ভক্তগণ কৃষ্ণভক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে চাতুর্মাস্য ব্রত নিয়ম করেন। চতুর্মাসেষু কর্তব্যং কৃষ্ণভক্তি বিবৃদ্ধয়ে ॥ পুরাণে বলা হয়েছে.... যো বিনা নিয়মং মর্ত্যো ব্রতং বা জপ্যমেব বা। চাতুর্মাস্য নয়েন্ মূর্খো জীবন্নপি মৃতো হি সঃ ॥ যে ব্যক্তি নিয়ম, ব্রত বা জপ ব্যতীত চাতুর্মাস্য যাপন করে, সেই ব্যক্তি অজ্ঞ ও জীবন্মৃত। শ্রীব্রহ্মা নারদমুনিকে বলছেন, হে নারদ, চাতুর্মাস্য ব্রত ভক্তি সহকারে পালন করলে মানুষ পরমাগতি লাভ করার সুযোগ পাবে। ব্রত নিয়মগুলি হলো :- ১) বেশী বেশী করে হরিনাম জপ করতে হবে। যারা হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করেন না, তাঁরা শুরু করে দেবেন। যারা নিয়মিত মন্ত্র জপ করেন, তাঁরা জপসংখ্যা বৃদ্ধি করবেন। কলিবদ্ধ জীবের সদ্গতি লাভের একমাত্র উপায় হরিনাম। আমাদের মনকে সুরক্ষা দান করে মন্ত্র হরিনাম। ২) প্রতিদিন গীতা-ভাগবত শ্রবণ বা পাঠ করতে হবে। ভগবানের কথা, ভক্তের কথা আলোচনাই আমাদের অসার হৃদয়ে আশা ও আনন্দ সঞ্চার করে থাকে। যারা ভগবৎ কথায় সময় দিতে পারে না, তারা আজেবাজে কথায় সময় পেয়ে বসে। ৩) তর্ক, গালগল্প এড়িয়ে চলতে হবে। কলিযুগের মানুষ আমরা তর্ক করতে, ঝগড়া বাধাতে, গালগল্পে খুবই উন্মুখ হয়ে থাকি। ৪) প্রত্যূষে স্নান সারতে হবে। ভক্তগণ তো ভোর চারটায় স্নান সেরে মঙ্গল আরতিতে যোগ দেন। যত্ন নেন কোনও দিন যেন ফাঁকি না যায়। মঙ্গলময় শ্রীহরির কৃপাকটাক্ষ লাভের উপযুক্ত ব্রাহ্মমুহূর্তে শুচিশুদ্ধ হয়ে জেগে থাকা বাঞ্ছনীয়। ৫) শ্রাবণে শাক, ভাদ্রে দই, আশ্বিনে দুধ এবং কার্তিকে মাষকলাই ডাল খাওয়া চলবে না। এই সময়ে এই দ্রব্যগুলি রোগ সৃষ্টি করে। মন বিক্ষিপ্ত করে। স্কন্দ পুরাণে বলা হয়েছে- "শ্রাবণে বর্জয়েৎ শাকং দধি ভাদ্রপদে তথা। দুগ্ধম্ আশ্বযুজে মাসি কার্তিকে চামিষং ত্যজেৎ"। বিশেষতঃ, কার্তিক মাসে বেগুন, বরবটি, শিম আহার নিষিদ্ধ। ৬) শ্রীহরি অর্চন কিংবা শ্রীহরিভক্তিমূলক অন্য কোনও সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে হবে। সবসময় জানতে হবে অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। আচারে হোক, প্রচারে হোক যেকোনও সেবায় সবসময় সংযুক্ত থাকতে হবে, তাহলেই আমরা ভালো থাকবো। এই চাতুর্মাস্য ব্রতের ব্রতকারীরা কেউ শয়ন একাদশী থেকে উত্থান একাদশী পর্যন্ত, কেউ আষাঢ় মাসের গুরু পূর্ণিমা থেকে কার্তিক মাসের হৈমন্তী রাস পূর্ণিমা পর্যন্ত, আবার কেউ কর্কট সংক্রান্তি থেকে মকর সংক্রান্তি পর্যন্ত- এইভাবে পালন করে থাকেন। মোটামুটি যে দিন শুরু করবেন তার চার মাস পরে সমাপন করবেন। কৃপা করে সবাই চাতুর্মাস্য ব্রত পালন করবেন। 🌸 হরে কৃষ্ণ 🌸🙏🙏

+57 प्रतिक्रिया 4 कॉमेंट्स • 46 शेयर