+14 प्रतिक्रिया 2 कॉमेंट्स • 2 शेयर

https://goo.gl/ZLK01K

+73 प्रतिक्रिया 12 कॉमेंट्स • 44 शेयर

https://goo.gl/ZLK01K

+5 प्रतिक्रिया 0 कॉमेंट्स • 2 शेयर

https://goo.gl/ZLK01K

+74 प्रतिक्रिया 10 कॉमेंट्स • 51 शेयर

|| দেবী সুরেশ্বরী ভগবতী গঙ্গে,ত্রিভুবনতারিণি তরল তরঙ্গে || শ্রীশ্রী ঠাকুর নিজের মুখে বলেছিলেন আমাদের মা ই স্বয়ং গঙ্গা— যোগেন-মার মনে একবার সংশয় আসে - 'ঠাকুর অমন ত্যাগী ছিলেন, আর মাকে দেখছি ঘোর সংসারীর মতন - ভাই, ভাই-পো, ভাই-ঝিদের জন্য অস্থির। কিছুই বুঝতে পারি না।' এরপর একদিন গঙ্গার ঘাটে ধ্যান করতে বসে তিনি দেখলেন, ঠাকুর সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন, "দেখ, গঙ্গায় কি ভাসছে।" যোগেন-মা দেখেন একটি সদ্যোজাত শিশু নাড়িভুঁড়ি-জড়ানো গঙ্গায় ভেসে যাচ্ছে। ঠাকুর বললেন, "গঙ্গা কি কখনো অপবিত্র হয়? না তাকে কিছু স্পর্শ করে? ওকে তেমনি জানবে। ওর উপর সন্দেহ এনো না, ওকে একে (নিজেকে দেখিয়ে) অভেদ জানবে।" গঙ্গার ঘাট থেকে ফিরে এসে যোগেন-মা মাকে প্রণাম করে বললেন, "মা আমায় ক্ষমা কর।" মা বললেন, "কেন যোগেন, কি হয়েছে?" তখন যোগেন-মা সব ঘটনাটি বলে বললেন: "তোমার উপর অবিশ্বাস এসেছিল। তা আজ ঠাকুর আমাকে দেখিয়ে দিলেন।" মা একটু হেসে বললেন, "তার আর কি হয়েছে? অবিশ্বাস তো আসবেই। সংশয় আসবে, আবার বিশ্বাস হবে। এই রকম করেই তো বিশ্বাস হয়। এই রকম হতে হতে পাকা বিশ্বাস হয়। ১৯১৯ সালে মা তখন কোয়ালপাড়ায় ছিলেন। দশহরার দিন কয়েকজন ভক্ত মায়ের পায়ে পদ্মফুল দিয়ে পুজো করে চলে গেলেন। পরে মা সেবক-কে জিজ্ঞাসা করলেন, "আজ কি যে ছেলেরা সব পায়ে ফুল দিয়ে গেল?" সেবক বললেন, "আজ দশহরা তাই।" মা একটু হেসে বললেন, "ওমা, আমি মনসা নাকি?" পরে ঠাকুরের পটের দিকে হাতজোড় করে বললেন, "উনিই মনসা, গঙ্গা, সব।" আজ তাই দশহরার পূণ্যদিনে চির পবিত্রতাস্বরূপিণী গঙ্গারূপিণী শ্রীশ্রীমায়ের চরণে জানাই শতকোটি প্রণতি।

+18 प्रतिक्रिया 6 कॉमेंट्स • 3 शेयर

+15 प्रतिक्रिया 0 कॉमेंट्स • 3 शेयर

+45 प्रतिक्रिया 5 कॉमेंट्स • 45 शेयर

https://goo.gl/ZLK01K

+128 प्रतिक्रिया 12 कॉमेंट्स • 73 शेयर