রথযাত্রা

পর্ব-১ আজকের লীলা ""রাঙ্গা-চরণ"" জয় জগন্নাথ - শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের প্রণাম মন্ত্র :- নীলাচলনিবাসায় নিত্যায় পরমাত্মনে। Share please বলভদ্র সুভদ্রাভ্যাং জগন্নাথায় তে নমঃ।। অনুবাদঃ- পরমাত্মা স্বরুপ যাঁরা নিত্যকাল নীলাচলে বসবাস করেন, সেই বলদেব, সুভদ্রাও জগন্নাথদেবকে প্রণতি নিবেদন করি। # কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের পর প্রায় অনেকদিন কেটে গেছে। শ্রীকৃষ্ণ তখন দ্বারকায়। একদিন তিনি গাছের উপর পা ঝুলিয়ে বসে ছিলেন। তাঁর ""রাঙ্গা চরণকে"" টিয়া পাখি ভেবে ভুল করে বাণ মেরে বসল এক শবর। নাম ছিলো তার জরা। বাণের আঘাতেই অবশেষে বৈকুণ্ঠলোকের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন কৃষ্ণ। অপঘাতে শ্রীকৃষ্ণের মৃত্যুর খবর পেয়ে অর্জুন ছুটে এলেন দ্বারকায়। দেহ সৎকারের সময় অর্জুন দেখলেন গোটা দেহটা পুড়লেও সখার নাভিদেশ তো আর পুড়ছে না !! তখনই হলো দৈববাণী, ইনিই সেই পরমব্রহ্ম। অর্জুন ,, এঁকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করো। সমুদ্রেই ওঁর অনন্তশয়ন। অর্জুন তাই করলেন। ঢেউয়ে ভাসতে ভাসতে এগিয়ে চলল পরমব্রহ্ম সেই নাভি। আর তাকে লক্ষ করে সমুদ্রের তীর ধরে ছুটে চলল অনার্য সেই শবর জরা। শেষ অবধি তার বাণেই মৃত্যু হল ভগবানের !!দ্বারকা থেকে পুরি পর্যন্ত ছুটে চলা। অবশেষে এখানেই ভগবানকে স্বপ্ন দেখল সে ,,কাল ভোরে আমাকে তুলে নে। এখন থেকে তোর বংশধর শবরদের হাতেই পুজো নেব আমি। তখন থেকে নীল মাধব রূপে তিনি পূজিত হতে থাকলেন শবরদের কাছে। সময়টা দ্বাপর যুগ।এরপর এলো কলি যুগ। কলিঙ্গের রাজা তখন ইন্দ্রদ্যুম্ন দেব। তিনি ছিলেন বিষ্ণুর ভক্ত। সেই উদ্দেশ্যে তিনি গড়ে তুললেন একটি মন্দির শ্রীক্ষেত্রে। এখন আমরা তাকে চিনি জগন্নাথধাম রূপে। কিন্তু মন্দিরে বিগ্রহ নেই !!রাজসভায় একদিন কথা প্রসঙ্গে তিনি জানতে পারলেন নীল মাধবের কথা। ইনি নাকি বিষ্ণুরই এক রূপ।অমনি চারদিকে লোক পাঠালেন রাজা। এঁদের প্রত্যেকেই ধার্মিক ব্রাহ্মণতনয়। বাকিরা খালি হাতে ফিরে এলেও, ফিরলেন না একজন বিদ্যাপতি। তিনি জঙ্গলের মধ্যে পথ হারালে তাঁকে উদ্ধার করলেন সুন্দরী শবর কন্যা ললিতা।নিয়ে এলেন তাদের বাড়ি। ললিতা শবর রাজ বিশ্ববসুর কন্যা। ললিতার প্রেমে পড়লেন বিদ্যাপতি। বিয়ে হল দুজনের, বিয়ের পর বিদ্যাপতি আবিষ্কার করলেন রোজ সকালেই শবর রাজ কয়েক ঘণ্টার জন্য কোথাও উধাও হয়ে যান, আবার ফিরে আসেন। কোথায় যান বিশ্ববসু !! স্ত্রীকে প্রশ্ন করতে বিদ্যাপতি জানতে পারলেন জঙ্গলের মধ্যে একটি গোপন জায়গায় নীল মাধবের পূজো করতে যান শবররাজ বিশ্ববসু। নীল মাধবের সন্ধান যখন পাওয়া গেছে তখন আর ছাড়ার নয়। অমনি বিদ্যাপতি বায়না ধরলেন তিনিও দর্শন করবেন নীলমাধবকে।বিশ্ববসু প্রথমে রাজি না হলেও, অবশেষে মত দিলেন ,,তবে শর্তসাপেক্ষে। বিগ্রহ পর্যন্ত চোখ বেঁধে যেতে হবে বিদ্যাপতিকে। জামাতা হলেও বিদ্যাপতিকে কোন ভাবে নীলমাধবের সন্ধান দিতে রাজি ছিলেন না বিশ্ববসু। বিদ্যাপতিও ছাড়ার পাত্র নন। চোখ বাঁধা অবস্থায় যাওয়ার সময় তিনি গোটা পথটায় সরষের দানা ছড়াতে ছড়াতে গেলেন। যথাস্থানে পৌঁছে যখন তিনি দর্শন পেলেন নীলমাধবের তখন তাঁর প্রাণ আনন্দে ভরে উঠল। হরিবোল,হরিবোল,হরিবোল....... বনের মধ্যে পূজোর ফুল কুড়িয়ে এনে বিশ্ববসু যখন পূজায় বসলেন অমনি দৈববাণী হল ,,এতদিন আমি দীন -দুঃখীর পূজো নিয়েছি ,, এবার আমি মহাউপাচারে রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নের পূজো নিতে চাই। ভীষণ রেগে গেলেন শবররাজ।ইষ্টদেবতাকে হারাবার দুঃখে বন্দী করলেন বিদ্যাপতিকে। কিন্তু কন্যা ললিতার বারবার কাকুতি মিনতিতে বাধ্য হলেন জামাতাকে মুক্ত করতে। বিদ্যাপতিও সঙ্গে সঙ্গে এই খবর পৌঁছে দিলেন রাজার কাছে। ইন্দ্রদ্যুম্ন মহানন্দে জঙ্গলের মধ্যে সেই গুহার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন ঠাকুরকে সাড়ম্বরে রাজপ্রাসাদে আনতে। কিন্তু একি ,, নীলমাধব কোথায়! কোথায় আমার নীলমাধব!! আটক হলেন শবররাজ। তখন দৈববাণী হল যে সমুদ্রের জলে ভেসে আসবে দারু (কাঠ) রূপে সেই থেকেই বানাতে হবে বিগ্রহ। হাজার হাজার হাতি ,,ঘোড়া ,,সেপাইসাস্ত্রী ,,লোকলস্কর নিয়েও সমুদ্র থেকে তোলা গেল না সেই দারু।অবশেষে দারুর একদিক ধরলেন শবররাজ আর একদিক ব্রাহ্মণপুত্র ও বিদ্যাপতি। জগন্নাথের কাছে ব্রাহ্মণ-শবর কোনো ভেদাভেদ নেই যে !! মহারাজ তাঁর কারিগরদের লাগালেন মূর্তি গড়তে। কিন্তু সেই কাঠ এমনই পাথরের মত শক্ত যে ছেনি ,,হাতুড়ি সবই যায় ভেঙ্গে। তা হলে উপায় !!মূর্তি গড়বে কে !!মহারাজের আকুলতা দেখে ও জগন্নাথের আদেশে বৃদ্ধের বেশে এবার হাজির হলেন স্বয়ং বিশ্বকর্মা। তিনিই গড়বেন মূর্তি। তবে শর্ত একটাই। একুশদিন আগে তিনি নিজে দরজা না খুললে কেউ যেন তাঁর ঘরে না আসে। শুরু হল কাজ। ইন্দ্রদ্যুম্নের রাণী গুন্ডিচা রোজই রুদ্ধ দুয়ারে কান পেতে শোনেন কাঠ কাটার ঠক্ ঠক্ শব্দ। চোদ্দদিন পর হঠাৎ রাণি দেখলেন রুদ্ধদ্বার কক্ষ নিস্তব্ধ। কী হল !!কৌতুহল চেপে রাখতে না পেরে রাণী মহারাজকে জানাতেই ইন্দ্রদ্যুম্ন খুলে ফেললেন কক্ষের দরজা। ভেতরে দেখেন বৃদ্ধ কারিগর উধাও ,,পড়ে আছে তিনটি অসমাপ্ত বিগ্রহ। তাদের হাত ,, পা কিছু

+16 प्रतिक्रिया 3 कॉमेंट्स • 9 शेयर
Sanatan Das Jul 18, 2019

+3 प्रतिक्रिया 0 कॉमेंट्स • 0 शेयर
mymandir Bangla Jul 12, 2019

🚩আজ প্রভু জগন্নাথ দেবের পূর্ণযাত্রা 🚩 শ্রীমন্দির থেকে ভাই বোন কে নিয়ে জগন্নাথ দেবের তাঁর মাসির বাড়ি অর্থাৎ গুন্ডিচা মন্দির থেকে ফেরার দিন আজ। কিন্তু যে রথে চড়ে এনারা যাত্রা করেন,তা মোটেই কোন স্বাভাবিক রথ নয়। এই রথের মধ্যে লুকিয়ে আছে আরো অনেক রহস্য, অনেক অজানা তথ্য, বহু দেব ও দেবীগণ। 💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐 🌷🌿🚩 জগন্নাথদেবের রথ 🚩🌿🌷 💠দারুহরি জগন্নাথদেব যে রথে বিরাজ করেন, সেটির নাম- #নন্দীঘোষ। অনেকে রথটিকে 'গরুড়ধ্বজ' বা 'কপিধ্বজ'ও বলে থাকেন। 💠রক্ত ও পীত অর্থাৎ লাল ও হলুদ বস্ত্রদ্বারা রথটি আচ্ছাদিত থাকে। ❤💛 💠রথের ১৬টি চাকা, প্রতিটির ব্যস ৭ ফুট। ১৬টি চাকা চন্দ্রের ষোলটি কলার প্রতীক, কারণ রথের আরোহী ষোলকলাযুক্ত জগন্মোহন হলেন স্বয়ং পূর্ণব্রহ্মের পূর্ণপ্রকাশ। 💠রথটির উচ্চতা প্রায় ৪৫ ফুট এবং ৮৩২টি কাষ্ঠখণ্ড দ্বারা নির্মিত। 💠রথের উপরে যে পতাকাটি উড্ডীন, তার নাম "ত্রৈলোক্যমোহিনী"। 🚩 💠রথের সম্মুখে চারটে সাদা ঘোড়া সংযুক্ত রয়েছে। অশ্ব চারটির নাম- 'শঙ্খ', 'বলাহক','শ্বেত' ও 'হরিদাশ্ব'। 🎠🎠🎠🎠 💠রথের মুখ "নন্দীমুখ"। 💠রথগাত্রে শঙ্খ ও চক্র চিহ্নদ্বয় সবদিক থেকে দেখা যায়। 💠রথের দড়ির নাম "শঙ্খচূড়"। 💠সুবৃহৎ এই রথটি স্বয়ং গরুড় কর্তৃক সর্বদা রক্ষিত। পণ্ডিতদের মতানুযায়ী দিব্যদেহধারী "জয়" ও "বিজয়" রথের দ্বারদেশে পাহারা দেন।⚔ 💠রথের সারথির নাম 'দারুক'।♐ 💠জগন্নাথ ছাড়াও আরও অনেক দেবদেবীগণ এই রথে থাকেন। বরাহ, গোবর্ধন, কৃষ্ণ, নরসিংহ, রাম, নারায়ণ, ত্রিবিক্রম, হনুমান ও রুদ্র- এই নয়জন দেবতা যাত্রাকালে জগন্নাথদেবের রথে থাকেন। ঋষিগণের মধ্যে থাকেন নারদ, দেবল, ব্যাস, শুক, পরাশর, বশিষ্ঠ, বিশ্বামিত্র ও রুদ্র। পুরীর রক্ষাকর্ত্রী বা শক্তি দেবী বিমলাও সবসময়ে প্রভুর সহিত পূর্ণশক্তিতে আবির্ভূতা এবং রথের প্রধান আসনে আসীন জগদীশ্বর জগন্নাথদেব। 🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 🌷🌿🚩#বলভদ্রের রথ 🚩🌿🌷 💠জগন্নাথদেবের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা বলরাম যে রথে অধিষ্ঠান করেন, তাঁর নাম #তালধ্বজ। 🚩 💠রথটি সবুজ ও লাল বস্ত্রে আচ্ছাদিত❤💚 💠রথের চাকা ১৪টি, প্রতিটির ব্যস ৬ ফুট। ১৪টি চাকা মানে ১৪টি ভুবন। বলভদ্র হল গুরুতত্ত্ব। গুরুতত্ত্বের অধীন ১৪টি ভূবন। 💠রথের উচ্চতা ৪৪ফুট এবং সুবৃহৎ এই রথটি ৭৬৩ কাষ্ঠখণ্ড দ্বারা নির্মিত। 💠রথের সঙ্গে ৪টে কৃষ্ণবর্ণের ঘোড়া সংযুক্ত রয়েছে। অশ্ব চারটের নাম- 'তীব্র', 'ঘোরা', 'দীর্ঘাশ্রম' ও 'স্বর্ণাভ'।🐎🐎🐎🐎 💠সারথির নাম 'মাতলি'। 💠রথের মুখ "কেতুভদ্রমুখ" এবং রক্ষক হলেন 'বসুদেব'। 💠রথগাত্রে প্রথিত রয়েছে "হল" ও "মুষল" অস্ত্রদ্বয়। ⛏ 💠রথোপরি উড্ডীন পতাকাটির নাম "উন্নানি"। 💠রথের দ্বারপাল হিসেবে "নন্দ" ও "সুনন্দ" দুই বলশালী দেব সদা দণ্ডায়মান। 💠রথের দড়ির নাম "বাসুকি"। 💠জগন্নাথের রথের মতো এই রথেও গনেশ, কার্তিকেয়, সর্বমঙ্গলা, প্রলম্বরী, হলায়ুধ, মৃত্যুঞ্জয়, নাট্যম্বর, মুক্তেশ্বর এবং শেষদেব- এই নয়জন পরমশক্তিধর দেবতা শ্রীশ্রীবলরামের সঙ্গে রথে আরোহণ করেন। ঋষিগণের মধ্যে অঙ্গীরা, পুলস্ত্য, পুলহ, অসস্তি, কৃষ্ণ, মুদ্গল, আত্রেয়, কাশ্যপ, প্রভৃতি। ব্রহ্মা ও শিবরূপী শক্তি সর্বদা রথের সাথে সাথে চলায়মান। 🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 🌷🌿🚩 #সুভদ্রাদেবীর রথ 🚩🌿🌷 💠শ্রী বরাদ্দ ও জগন্নাথদেবের পরম আদরের ভগিনী শ্রীশ্রীসুভদ্রার রথটি "দর্পদলন" নামে পরিচিত। "দেবদলন" ও "পদ্মধ্বজ" নামেও এই রথটিকে অভিহিত করা হয়। 💠লাল ও কালো বস্ত্রে ঢাকা এই রথ।❤🖤 💠এই রথটি ৪৩ফুট উঁচু ও ৫৯৩ কাষ্ঠখণ্ড দিয়ে তৈরি। 💠১২টি চাকাযুক্ত(প্রতিটির ব্যস ৫ ফুট) রথটিতে চারটে রক্তিম বর্ণের ঘোড়া রয়েছে। তাদের নাম- 'রোচিকা', 'মোচিকা', 'জিতা' ও 'অপরাজিতা'।🐎🐎🐎🐎 💠রথের সারথি স্বয়ং তাঁর পতি "অর্জুন"। 💠রথের দড়ির নাম "স্বর্ণচূড়া"। 💠রথোপরি উড্ডীন পতাকাটির নাম "নাদাম্বিকা"🚩 💠"পদ্ম" ও "কল্হর" নামক পুষ্পদ্বয় রথগাত্রে প্রথিত। 🌷🏵 💠রথের দ্বারদেশে "গঙ্গা" ও "যমুনা" দ্বাররক্ষিকারূপে দণ্ডায়মান। 💠রথটির মুখ "ভক্তিসুমেধমুখ" বা "চামরহস্তমুখ"। 💠সমগ্র রথটি দেবী জয়দুর্গা প্রতিক্ষণে রক্ষা করে চলেন। 💠জগন্নাথ ও বলরামের রথের মতই এই রথটিতেও বহু দেবদেবীর সমাবেশ। চণ্ডী, চামুণ্ডা, উগ্রতারা, বনদুর্গা, শূলীদুর্গা, বরাহী, শ্যামাকালী, মঙ্গলা ও বিমলা- এই নবদৈবীশক্তিগণ পরিবৃতা হয়ে শ্রীশ্রীসুভদ্রা মাতা রথে আরূঢ় থাকেন। দিব্য ঋষিগণ, যথা- ভৃগু, সুপ্রভ, বজ্র, শৃঙ্গী, ধ্রুব, উল্লুক, প্রভৃতি রথে উপস্থিত থাকেন। রথের শক্তিরূপে ভুবনেশ্বরী সর্বদাই প্রকাশিত। 💠এবং সর্বোপরি উল্লেখযোগায, জগন্নাথদেবের সুদর্শন এই সময়ে তাঁর পাশে নন, শোভা পান সুভদ্রাদেবীর রথে,তাঁরই পাশে। 🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩 🌼রথ চলার সময় কাঠের কড়কড় শব্দ হয়, এটিকে বলা হয় বেদ। 🍁রথ যখন চলে প্রথমে থাকে বলদেবের রথ। কারণ বলদেব দাদা। আবার তিনি জগত গুরুতত্ত্ব। তিনিই তো নিত্যানন্দ । সবার জীবনে আগে গুরুকৃপা আসতে হবে। তাই বলরামের রথ সর্বপ্রথম। 🍁তারপর চলে সুভদ্রার রথ। সুভদ্রা হল ভক্তি তত্ত্ব। গুরুকৃপার পর আসে ভক্তিমহারাণী। কারণ ভক্তির ঠিকানা শ্রীগুরুপদে। 🌼তারপর যায় জগন্নাথের রথ। প্রথমে গুরুদেব, তারপর ভক্তি, তারপর ভগবান।। 🙏।।জয় জগন্নাথ। জয় সুভদ্রা। জয় বলরাম।।🙏

+76 प्रतिक्रिया 20 कॉमेंट्स • 75 शेयर
Nandini Chakraborty Jul 11, 2019

+13 प्रतिक्रिया 0 कॉमेंट्स • 85 शेयर