মাইমন্দির

বৈষ্ণোদেবী মন্দির ঘিরে রয়েছে এক রহস্যময় ‘পজেটিভ এনার্জি’,জানুন 🙏 মাতা বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে মায়ের দর্শন পেলে জীবনের সমস্ত চাওয়া পাওয়া নাকি পূরণ হয়ে যায়৷ হিন্দুদের অন্যতম তীর্থস্থান এটি৷ জম্মু কাশ্মীরের কাটরাতে অবস্থিত এই মন্দিরটিকে ঘিরে রয়েছে আশ্চর্য বেশ কিছু তথ্য৷ প্রতিবছর এই মন্দিরে লক্ষ লক্ষ ভক্ত আসেন পুজো দেওয়ার জন্য৷ এই মন্দির দর্শনে যান যখন ভক্তরা তখন বৈষ্ণোমাতার ভক্তদের মুখে একটি কথা বিশেষ প্রচলিত রয়েছে৷ যেটি হল, ‘চল বুলায়া আয়া হ্যা, মাতা নে বুলায়া হ্যা’৷ এই মন্দিরের কালী ঠাকুরের দর্শন পেলেই মানুষের সমস্ত ইচ্ছে নাকি পূরণ হয়ে যায় মায়ের আশীর্বাদে৷ কথিত আছে, ভারতের দক্ষিণে অবস্থিত একটি ছোট্ট গ্রামে জন্ম হয়েছিল ত্রিকুতা৷ রত্নাকর সাগর এবং তাঁর স্ত্রী বিয়ের পর নিসন্তান ছিলেন দীর্ঘদিন৷ একটি সন্তানের জন্য আকুল হয়ে উঠেছিলেন তারা৷ অবশেষে তাদের কোলে জন্ম নেয় এক ফুটফুটে কন্যা সন্তান৷ যদিও জন্মের পরই ওই দম্পতি শপথ নিয়েছিলেন ওই মেয়ের ভবিষ্যতের উপরে কোনও হস্তক্ষেপ করবেন না তারা৷ ওই ফুটফুটে কন্যা সন্তানই পরবর্তীকালে বৈষ্ণদেবী নামে পরিচিত হন৷ মাত্র নয় বছর বয়সে সে নদীর পারে রাম এবং বিষ্ণুকে তুষ্ট করার জন্য প্রায়শ্চিত্ত করেন৷ রাম এবং বিষ্ণু দুজনেই সন্তুষ্ট হয়ে আশীর্বাদ করেন বৈষ্ণবদেবীকে৷ কথিত আছে, ত্রিকুটাতে রামের নির্দেশে একটি গুহা তৈরি করেন বৈষ্ণদেবী এবং সেখানেই থাকতে শুরু করেন৷ তার নিরাপত্তার জন্য রাম তাকে একটি সিংহ, হনুমান এবং তিরধনুক৷ এরপর ওই মন্দিরেই থাকতে শুরু করেছিলেন বৈষ্ণোদেবী। পরবর্তীকালে তাকেই পুজো করা হয় মা বৈষ্ণদেবী রূপে৷ কিন্তু কিভাবে এমন একটি দুর্গম স্থানে থাকতে শুরু করেছিলেন তিনি সেটি নিয়ে আজও রয়েছে রহস্য৷ মাতা বৈষ্ণোদেবীর পুজোর কারণেই নয়দিন ধরে নবরাত্রি পালন করা হয় দেশজুড়ে৷ বৈষ্ণোদেবী কলিযুগের সময়ে সকলকে নিজের সন্তানের মতন রক্ষা করেছিলেন৷ মা বৈষ্ণোদেবীকে ঘিরে রয়েছে এখনও বহু রহস্য৷ কিভাবে এই গুহা তৈরি হয়েছিল সেটিও জানা যায়নি এখনও৷ মনে করা হয়, এই মন্দির বিশ্বের মধ্যে সবথেকে পবিত্রতম স্থান৷ একটি শক্তিশালী পজিটিভ এনার্জি রয়েছে এই মন্দিরকে ঘিরে৷ মোট তিনটি গুহা রয়েছে৷ এগুলির মধ্যে একটি গুহা বছরের বিভিন্ন সময়েই বন্ধ থাকে৷ ভক্তদের জন্য শুধুমাত্র একটি গুহাই সবসময় খোলা থাকে৷ তবে, বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে যে একবার যায়, সে আর দ্বিতীয়বার ওই মন্দিরে যেতে চান না৷ কারণ এই পথ অত্যন্ত দুর্গম৷ প্রতি মুহূর্তে রয়েছে মৃত্যুভয়৷ পায়ে হেঁটে এই দুর্গম পথ দিয়ে মন্দিরে পৌঁছতে হয়৷

+109 प्रतिक्रिया 15 कॉमेंट्स • 70 शेयर

১৮৮২ সালের ৫ ই আগস্ট, বিকেল চারটে-সাড়ে চারটে নাগাদ পণ্ডিত বিদ‍্যাসাগরের বাসভবনে এলেন স্বয়ং রামকৃষ্ণদেব।👇👇 যথারীতি রামকৃষ্ণদেবকে নিয়ে সারা বাড়িতে ব‍্যস্ততা তীব্র হয়, যাতে তার আপ‍্যায়নে কোনো না ত্রুটি হয় সবদিকে লক্ষ‍্য দিতে থাকে ভৃত‍্যরা। বিদ‍্যাসাগরের থেকে রামকৃষ্ণদেব ষোলো-সতেরো বছর বয়সে ছোট, বিদ‍্যাসাগর এখন রীতিমতো প্রবীণ। বিদ‍্যাসাগর মহাশয় রামকৃষ্ণদেব এর জন‍্য জল আনতে বলেন ভৃত‍্যকে, তখন ঠাকুর বলেছিলেন "অনেক নদীনালা খালবিল পেরিয়ে আজ তো আমি 'সাগর' এর সামনে! এ সৌভাগ্য কার হয়? অন‍্যান‍্য জল তো তুচ্ছ!" উত্তর দিয়েছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র "তা সাগরের কাছে যখন এসেছেন, একটু নোনাজল ই নাহয় খেয়ে দেখুন!" খুব ভালো করে দেখলে এই উত্তরের মধ‍্য দিয়েই ঈশ্বরচন্দ্রের বিনয়, রসবোধ এর পরিচয় পাওয়া যায়। অত‍্যধিক জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও তার সেটি জাহির না করা, বিনয়ী থাকা , নিজের বিদ‍্যাকে নোনাজলের মতোই নোনতা বলা প্রকৃত বিদ্বানের পরিচয়। রামকৃষ্ণদেব খুব খুশি হন, বলেন "আরে কে বলেছে নোনাজল? এ তো অবিদ‍্যার সাগর নয়, এ তো বিদ‍্যার সাগর, খাঁটি দুধসাগর, নোনাজল কিকরে হয়?" 🙏🙏

+65 प्रतिक्रिया 10 कॉमेंट्स • 71 शेयर