বিশ্বকর্মা

+4 प्रतिक्रिया 0 कॉमेंट्स • 2 शेयर
mymandir Bangla Sep 17, 2019

আগামীকাল ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইং, ৩১ ভাদ্র ১৪২৬ বুধবার শ্রীশ্রী বিশ্বকর্মা পূজা🙏🙏 বিশ্বকর্মা সম্পর্কে জেনে নিনহিন্দু পৌরাণিক কাহিনী মতে-বিশ্বকর্মা ছিলেন দেবশিল্পী।বিষ্ণুপুরাণের মতে প্রভাসেরঔরসে বৃহস্পতির ভগিনীরগর্ভে বিশ্বকর্মার জন্ম হয়।বেদে পৃথিবীরসৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বকর্মা বলা হয়েছে।বিশ্বকর্মা মূলত সৃষ্টিশক্তির রূপক নাম।সেই অর্থে ইনি পিতা, সর্বজ্ঞ দেবতাদের নামদাতা।বিশ্বকর্মা সর্বমেধ-যজ্ঞে নিজেকে নিজের কাছে বলি দেন।বিশ্বকর্মা বাচস্পতি, মনোজব, বদান্য,কল্যাণকর্মা, বিধাতা।ঋগবেদের মতে– ইনি সর্বদর্শী ভগবান।এঁর চক্ষু, মুখমণ্ডল, বাহু ও পা সর্বদিকবিদ্যমান। বাহু ও পায়ের সাহায্যে ইনি স্বর্গ ও মর্ত্য নির্মাণকরেন।বিশ্বকর্মা শিল্পসমূহের প্রকাশক ওঅলঙ্কারের স্রষ্টা,দেবতাদের বিমান-নির্মাতা। ওনার কৃপায় মানুষ শিল্পপকলায় পারদর্শিতা লাভ করে।ইনি উপবেদ, স্থাপত্য-বেদের প্রকাশকএবং চতুঃষষ্টি কলার অধিষ্ঠাতা।ইনি প্রাসাদ, ভবন ইত্যাদির শিল্পী।ইনি দেবতাদের জন্য অস্ত্র তৈরি করেন।মহাভারতের মতে– ইনি শিল্পের শ্রেষ্ঠকর্তা, সহস্র শিল্পের আবিস্কারক,সর্বপ্রকার কারুকার্য-নির্মাতা।স্বর্গ ও লঙ্কাপুরী ইনিই নির্মাণকরেছিলেন।রামের জন্য সেতুবন্ধনির্মাণকালে ইনি নলবানরকে সৃষ্টি করেন। কোনো কোনো পুরাণ মতে,বিশ্বকর্মা বৈদিক ত্বষ্টা দেবতার কর্মশক্তিও আত্মসাৎ করেছিলেন। এই জন্য তিনি ত্বষ্টা নামেও অভিহিত হন।বিশ্বকর্মার কন্যার নাম ছিল সংজ্ঞা।ইনি এঁর সাথে সুর্যের বিবাহ দেন।সংজ্ঞা সুর্যের প্রখর তাপ সহ্য করতে না পারায়,ইনি সুর্যকে শানচক্রে স্থাপন করে তাঁর উজ্জলতার অষ্টমাংশ কেটে ফেলেন। এই কর্তিত অংশ পৃথিবীর উপর পতিত হলে, উক্তঅংশের দ্বারা বিশ্বকর্মা বিষ্ণুরসুদর্শনচক্র, শিবের ত্রিশূল, কুবেরের অস্ত্র,কার্তিকেয়ের শক্তি ও অন্যান্য দেবতাদের অস্ত্রশস্ত্রাদি নির্মাণ করেন।বলা হয়ে থাকে, শ্রীক্ষেত্রের প্রসিদ্ধজগন্নাথমূর্তি বিশ্বকর্মা প্রস্তুত করেন। ((((( জয় বিশ্বকর্মা ঠাকুরের জয় )))))🙏🙏

+102 प्रतिक्रिया 6 कॉमेंट्स • 56 शेयर

এবার কেন ১৮ই সেপ্টেম্বর বিশ্বকর্মা পুজো, জানেন? বিশ্বকর্মা পুজো মানেই দুর্গাপুজোর ঘণ্টা বেজে গেল। আকাশে ঘুড়ির মেলা মন নিয়ে যায় সেই ছোটবেলায়। কিন্তু তখন থেকেই বিশ্বকর্মা পুজো ঘিরে একটা প্রশ্ন মনে বারবার উঁকি মেরেছে। তা হল, অন্য সব দেব-দেবীর তিথি মেনে হওয়ায় ক্যালেন্ডারে কোনও নির্দিষ্ট দিন না থাকলেও কেন বিশ্বকর্মা পুজো প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর উদযাপিত হয়? তবে মাঝে মাঝে সেই নিয়ম পালটায় বৈকি। ঠিক যেমন এই বছর ১৭ সেপ্টেম্বরের বদলে ১৮ সেপ্টেম্বর পালিত হবে বিশ্বকর্মা পুজো। বিদ্যার দেবী সরস্বতী, অর্থের দেবী লক্ষ্মী বা শক্তির দেবী দুর্গা-কালী সবার পুজোরই কোনও বাঁধাধরা তারিখ নেই। কিন্তু শিল্পের দেবতা বিশ্বকর্মার পুজো মানেই ১৭ সেপ্টেম্বর। ইংরেজি ক্যালেন্ডারে এই দিনটি কেন স্থির তা জানতে একটু পঞ্জিকা উলটে দেখতে হবে। হিন্দু ধর্মে সব দেব-দেবীরই পুজোর তিথি স্থির হয় চাঁদের গতিপ্রকৃতির উপর নির্ভর করে। এ বিষয়ে চান্দ্র পঞ্জিকা অনুসরণ করা হয়ে থাকে। কিন্তু বিশ্বকর্মার পুজোর তিথি স্থির হয় সূর্যের গতিপ্রকৃতির উপর ভিত্তি করে। যখন সূর্য সিংহ রাশি থেকে কন্যা রাশিতে গমন করে, তখনই সময় আসে উত্তরায়ণের। দেবতারা নিদ্রা থেকে জেগে ওঠেন এবং শুরু হয় বিশ্বকর্মার পুজোর আয়োজন। হিন্দু পঞ্জিকার দুই প্রধান শাখা সূর্যসিদ্ধান্ত এবং বিশুদ্ধসিদ্ধান্ত- উভয়েই এ বিষয়ে একমত। আরও একটু স্পষ্ট করে বলতে হলে, বিশ্বকর্মার পুজোর দিন ভাদ্র মাসের শেষ তারিখে নির্ধারিত। এই ভাদ্র সংক্রান্তির আগে বাংলা পঞ্জিকায় পাঁচটি মাসের উল্লেখ মেলে। এই পাঁচটি মাসের দিন সংখ্যাও প্রায় বাঁধাধরাই- সাকুল্যে ১৫৬টি দিন! এই নিয়ম ধরে বিশ্বকর্মা পুজোর যে বাংলা পঞ্জিকা মতে তারিখটি বেরোয়, তা ইংরেজি ক্যালেন্ডারের ১৭ সেপ্টেম্বরেই পড়ে। কোনও কোনও বছরে এই পাঁচ মাসের মধ্যে কোনওটা যদি ২৯ বা ৩২ দিনের হয়, একমাত্র তখনই বিশ্বকর্মা পুজোর দিন পিছিয়ে বা এগিয়ে যায়। তবে তা খুবই ব্যতিক্রমী ঘটনা। এই ব্যতিক্রমী ঘটনাই দেখা যাবে এই বছর। ভাদ্র সংক্রান্তির আগে বাংলা পঞ্জিকার পাঁচটি মাসের দিনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ১৭-র বদলে ১৮ সেপ্টেম্বর উদযাপিত হচ্ছে বিশ্বকর্মা পুজো। আকাশ রঙিন হয়েছে ঘুড়ির সম্ভারে। আসন্ন উত্‍সবের সূচনার বার্তা নিয়ে এসেছে তারা।

+42 प्रतिक्रिया 4 कॉमेंट्स • 59 शेयर