+61 प्रतिक्रिया 5 कॉमेंट्स • 4 शेयर

পবিত্র গঙ্গা প্রাচীন কালে সুর্য্যবংশের রাজা সগরের ষাট হাজার পুত্রদের উদ্ধারের জন্য, ভগীরথ কঠোর তপস্যা করে পতিত পাবনী গঙ্গাকে পৃথিবীতে আনয়ন করেন। ভাগীরথ এনেছেন বলে মা গঙ্গার আরেক নাম ভাগীরথী। গঙ্গার শক্তিশালী বেগ পৃথিবী ধারণ করতে পারবে না, তখন ভগীরথ মহাদেব শিবের তপস্যা করলে, দেবাদিদেব শিব মা ভগীরথীকে ঝটায় ধারন করেন। গঙ্গাকে মহাদেব ঝটা থেকে বিভিন্ন ধারায় পৃথিবীতে প্রবাহিত করান এবং মা গঙ্গা গঙ্গাত্রী হয়ে হরিদ্বারে, তারপর ত্রিবনী, বারাণসী হয়ে মা গঙ্গা পৃথিবীর সমতটে আসেন। মর্ত্যে গঙ্গার আসার সময়, ভগবদ্ভক্ত জহ্নু মুনির আশ্রমের ঘর ভেঙ্গে, তার তপস্যায় বিঘ্ন ঘটায় গঙ্গাকে তিনি এক চুমুকে উদরস্থ করেন। ভাগীরথ হায় হায় করে তার নিকট আকুল প্রার্থনায় সন্তুষ্ট হয়ে জহ্নুমুনি জানু দিয়ে গঙ্গাকে বের করে দেন তাই গঙ্গা মার আরেক নাম হল জাহ্নবী। কান্ডার নামে একজন কামুক লোক ছিলেন। তার মত পাপী এই ত্রিভুবনে নাই। সারাজীবন সে বৈশ্যাদের সেবা করে। সে বৈশ্যার বশীভূত হয়ে থাকত তাদের ঘরে, আর বেশ্যাদের আদেশ পালন করত। একদিন এক বেশ্যার কথায় কাঠ কাটতে বনে যায় কান্ডার। হটাৎ এক বাঘ তার ঘার মটকে মেরে ফেলে। যমদুত এসে তাকে বেঁধে নিয়ে যাচ্ছিল যমের ঘরে। বাঘ তো মাংস তো সব খেয়ে নিল গায়ের। বনের মধ্যে অস্থি পড়ে রইল। কাক এই অস্থি নিয়ে যায়, তখন এক চিল কাকের পিছনে দৌঁড়াতে থাকে। চিলের সঙ্গে কাড়াকাড়ি করতে গিয়ে কাক ভয়ে অস্থিগুলো ফেলে দেয় এবং তার অস্থি গঙ্গায় পড়ে যায়। গঙ্গার পরশ লাগার সাথে সাথে স্বর্গের দূতেরা এসে যমদুতদের থেকে ব্রাহ্মনকে স্বর্গে নিয়ে চলল। ব্রাহ্মন পাপমুক্ত হয়ে স্বর্গে গেল। যমদুতরা যমরাজের কাছে গেল, ''বলল কান্ডার মহাপাপী, এত পাপ করে সে তো নরকে আসার কথা, কেন সে স্বর্গে গেল, তার কোন গুণে সে স্বর্গে গেল''। যমদুতদের কথা শুনে যম গেল শ্রীবিষ্ণুর কাছে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে। যম বলল- ''প্রভু পাপীর উপর আমার অধিকার এটা কি হল প্রভু, কান্ডারের মত মহাপাপীর সাথে যে, মহাপাপী হয়েও স্বর্গে গেল''। যমের কথায় অচ্যুত ভগবান হাসতে লাগলেন। ভগবান বললেন- ''এটা গঙ্গার মহিমা। গঙ্গা যেখানে প্রবাহিত হয় সেখানে কোন পাপ নেই। মন দিয়ে শুন যম গঙ্গা মহিমা। গঙ্গার বাতাস যতদূর যাবে ততদূর যম তোমার পাশের কোন অধিকার নেই, এটা আমার কথা। কেউ দিয়ে পুড়ে মরে তার অস্থি যদি গঙ্গায় ফেলে, সে সঙ্গে সঙ্গে পাপ মুক্ত হয়ে স্বর্গে আসবে। গঙ্গার তীরে থেকে যে জল গঙ্গার জল পান করে তার শরীর আমার সমান। তুমি তোমার দুতদের সেখানে যেতে মানা করবে সেখানে আছে পতিতপাবনী গঙ্গার পরশ''। এইজন্য মৃত্যুর পর শবদেহ দাহ করে তার অবশিষ্টাংশ ও অস্থি ভস্ম গঙ্গায় ছড়িয়ে দিতে হয়। মৃত্যু ব্যাক্তির আত্মার পারমার্থিক উন্নতির জন্য যেন সে, পরবর্তী জনমে শ্রীহরির নাম জপ ও কীর্তন করে এই জন্ম, মৃত্যু, জরা ও ব্যাধি থেকে চিরতরে মুক্তি পেতে পারে।

+5 प्रतिक्रिया 0 कॉमेंट्स • 23 शेयर

+26 प्रतिक्रिया 3 कॉमेंट्स • 3 शेयर

‘ঠনঠনিয়ার সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির’ ======================== দক্ষিণেশ্বরে মা-ভবতারিণী কালীমন্দিরের মতো উত্তর কলকাতার ঠনঠনিয়ার মা-সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দিরের সঙ্গেও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেবের মধুর স্মৃতি জড়িত। ঠাকুর যখন প্রথম জীবনে ঝামাপুকুরে বাস করতেন, তখন যেমন মাঝে মাঝেই এই মন্দিরে এসে মাকে গান শোনাতেন, পরবর্তীকালে দক্ষিণেশ্বরে সকল সাধনার শেষেও, সময়বিশেষে এই মন্দিরে আসতেন ও পূজা দিতেন। এটিও ঠাকুরের অন্যতম লীলাস্থল। এই মন্দিরের সঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেবের নিবিড় সম্পর্ক সম্বন্ধে মাস্টারমশায় শ্রীমহেন্দ্রনাথ গুপ্ত বলেন—“নিত্য ঠনঠনে মা কালীর কাছে যেতেন। মাকে ভজন শোনাতেন। এসব স্থানের প্রতি ধূলিকণা পবিত্র তাঁর পাদস্পর্শে।” পরবর্তীকালে ঝামাপুকুর ত্যাগ করে ঠাকুর দক্ষিণেশ্বরে বাস করলেও, কলকাতায় এলে এই মন্দিরে আসার ঘটনা ‘কথামৃত’ গ্রন্থের কয়েক স্থানে উল্লেখ করা হয়েছে। শঙ্কর ঘোষের বংশধরগণই বর্তমানে এই কালীমাতার সেবার অধিকারী। দক্ষিণামুখী কালীমাতার মন্দিরের পাশেই একই সীমানার মধ্যে একটি শিবমন্দির। গর্ভমন্দিরে মায়ের বিগ্রহের পাশে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেবের দণ্ডায়মান অবস্থার একটি প্রতিচ্ছবি আছে এবং তাঁরও নিত্য অর্চনা হয়। মন্দির প্রাঙ্গণের দেওয়ালে ঠাকুরের ত্যাগী শিষ্য স্বামী সুবোধানন্দ মহারাজেরও ছবি আছে। মন্দিরের অভ্যন্তরে দেওয়ালের ওপর পাথরের ফলকে লেখা আছে—“শ্রীশ্রী সিদ্ধেশ্বরী কালীমাতার মন্দির—মহাত্মা শঙ্কর ঘোষ কর্তৃক সন ১১১০ সালে প্রতিষ্ঠিত।”

+47 प्रतिक्रिया 6 कॉमेंट्स • 16 शेयर

+63 प्रतिक्रिया 4 कॉमेंट्स • 23 शेयर

+30 प्रतिक्रिया 1 कॉमेंट्स • 3 शेयर