ভারতের অন্যান্য মন্দিরের মত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক এ সতিপীঠ মা বর্গভীমার মন্দির ধ্বংস করতে এখানেও এসেছিল কালাপাহাড় । কালাপাহাড় মায়ের মন্দির ও মূর্তি ভাঙ্গতে উদ্যত হচ্ছে, পুরোহিত ও প্রজারা কালাপাহাড়ের কাছে কাকুতি মিনতি করছেন। কিন্তু কালাপাহাড় নিজের জেদে অটল হয়ে তরবারি নিয়ে মন্দিরে ঢুকল। মূর্তি খন্ড- বিখণ্ড করবেই। কিন্তু ঢোকামাত্রই তিনি দেবী বর্গভীমার দিকে চেয়ে এক আশ্চর্য দৃশ্য দেখল। দেবীর স্থানে অবস্থান করছেন তার নিজের গর্ভধারিণী জননী। এই অদ্ভুত দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত হল কালাপাহাড় । এখন স্বীয় জননীর ওপর কিভাবে তরবারি চালাবে - বুঝতে পারল না। শেষ এ ভূমিতে বসে ক্ষমা প্রার্থনা করল, তারপর সেখান থেকে ফিরে গেল। মন্দির ধ্বংস করা আর হল না। আবার অনেকের মতে,,, কালাপাহাড়ের মন্দির ও মূর্তি না ভাঙবার পেছনে আরো একটি মত প্রচলিত। কালাপাহাড় দেবী বর্গভীমার মূর্তি ভাঙ্গতে মন্দিরে প্রবেশমাত্র দেবীর ভয়ানক উগ্রা মূর্তি দেখে। হস্তে রক্তমাখা খড়গ, চতুর্ভুজা, শবের ওপর আসীনা, ত্রিশূল ও মুণ্ড ধারিনী। অতীব ভয়ানক সেই দেবীর বিকটা মূর্তি দেখে কালাপাহাড়ের মূর্তি বা মন্দির ভাঙ্গতে সাহস হয় নি। কারন সে ভেবেছিল, এই দেবীকে আঘাত দিলে তার ও তার সেনা, সকলের ধ্বংস অনিবার্য। তাই ক্ষমা চেয়ে কালাপাহাড় ভয়ে মন্দির ছেড়ে চলে যায় । তবে ভক্তদের কাছে দেবী বর্গভীমা মাতৃরূপা। স্নেহময়ী জননী। একসময় মারাঠা বর্গীরাও এই স্থানে আক্রমণ করে লুঠপাঠ করতে এসেছিল। তবে তারা মন্দির লুঠপাঠ না করে দেবী বর্গভীমার পূজো দিয়ে যায় বলে শোনা যায়।মায়ের আছে তিন নয়ন। চন্দ্র, সূর্য আর হূতাশন। জয় মা🙏🙏🌷🌷

ভারতের অন্যান্য মন্দিরের মত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক এ  সতিপীঠ মা বর্গভীমার মন্দির ধ্বংস করতে এখানেও  এসেছিল  কালাপাহাড় । কালাপাহাড় মায়ের মন্দির ও মূর্তি ভাঙ্গতে উদ্যত হচ্ছে, পুরোহিত ও প্রজারা কালাপাহাড়ের কাছে কাকুতি মিনতি করছেন। কিন্তু কালাপাহাড় নিজের জেদে অটল হয়ে তরবারি নিয়ে মন্দিরে ঢুকল। মূর্তি খন্ড- বিখণ্ড করবেই। কিন্তু ঢোকামাত্রই তিনি দেবী বর্গভীমার দিকে চেয়ে এক আশ্চর্য দৃশ্য দেখল। দেবীর স্থানে অবস্থান করছেন তার নিজের গর্ভধারিণী জননী। এই অদ্ভুত দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত হল কালাপাহাড় । এখন স্বীয় জননীর ওপর  কিভাবে তরবারি চালাবে - বুঝতে পারল না। শেষ এ ভূমিতে বসে ক্ষমা প্রার্থনা করল, তারপর সেখান থেকে ফিরে গেল। মন্দির ধ্বংস করা আর হল না।
আবার অনেকের মতে,,,
কালাপাহাড়ের মন্দির ও মূর্তি  না ভাঙবার পেছনে আরো একটি মত প্রচলিত। কালাপাহাড় দেবী বর্গভীমার মূর্তি ভাঙ্গতে মন্দিরে প্রবেশমাত্র দেবীর ভয়ানক উগ্রা মূর্তি দেখে। হস্তে রক্তমাখা খড়গ, চতুর্ভুজা, শবের ওপর আসীনা, ত্রিশূল ও মুণ্ড ধারিনী। অতীব ভয়ানক সেই দেবীর বিকটা মূর্তি দেখে কালাপাহাড়ের মূর্তি বা মন্দির  ভাঙ্গতে সাহস হয় নি। কারন সে ভেবেছিল, এই দেবীকে আঘাত দিলে তার ও তার সেনা, সকলের ধ্বংস অনিবার্য। তাই ক্ষমা চেয়ে  কালাপাহাড় ভয়ে মন্দির ছেড়ে চলে যায় ।
তবে ভক্তদের কাছে দেবী বর্গভীমা মাতৃরূপা। স্নেহময়ী জননী।

একসময় মারাঠা বর্গীরাও এই স্থানে আক্রমণ করে লুঠপাঠ করতে  এসেছিল। তবে তারা মন্দির লুঠপাঠ না করে দেবী বর্গভীমার পূজো দিয়ে যায় বলে শোনা যায়।মায়ের আছে তিন নয়ন। চন্দ্র, সূর্য আর হূতাশন। জয় মা🙏🙏🌷🌷
ভারতের অন্যান্য মন্দিরের মত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক এ  সতিপীঠ মা বর্গভীমার মন্দির ধ্বংস করতে এখানেও  এসেছিল  কালাপাহাড় । কালাপাহাড় মায়ের মন্দির ও মূর্তি ভাঙ্গতে উদ্যত হচ্ছে, পুরোহিত ও প্রজারা কালাপাহাড়ের কাছে কাকুতি মিনতি করছেন। কিন্তু কালাপাহাড় নিজের জেদে অটল হয়ে তরবারি নিয়ে মন্দিরে ঢুকল। মূর্তি খন্ড- বিখণ্ড করবেই। কিন্তু ঢোকামাত্রই তিনি দেবী বর্গভীমার দিকে চেয়ে এক আশ্চর্য দৃশ্য দেখল। দেবীর স্থানে অবস্থান করছেন তার নিজের গর্ভধারিণী জননী। এই অদ্ভুত দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত হল কালাপাহাড় । এখন স্বীয় জননীর ওপর  কিভাবে তরবারি চালাবে - বুঝতে পারল না। শেষ এ ভূমিতে বসে ক্ষমা প্রার্থনা করল, তারপর সেখান থেকে ফিরে গেল। মন্দির ধ্বংস করা আর হল না।
আবার অনেকের মতে,,,
কালাপাহাড়ের মন্দির ও মূর্তি  না ভাঙবার পেছনে আরো একটি মত প্রচলিত। কালাপাহাড় দেবী বর্গভীমার মূর্তি ভাঙ্গতে মন্দিরে প্রবেশমাত্র দেবীর ভয়ানক উগ্রা মূর্তি দেখে। হস্তে রক্তমাখা খড়গ, চতুর্ভুজা, শবের ওপর আসীনা, ত্রিশূল ও মুণ্ড ধারিনী। অতীব ভয়ানক সেই দেবীর বিকটা মূর্তি দেখে কালাপাহাড়ের মূর্তি বা মন্দির  ভাঙ্গতে সাহস হয় নি। কারন সে ভেবেছিল, এই দেবীকে আঘাত দিলে তার ও তার সেনা, সকলের ধ্বংস অনিবার্য। তাই ক্ষমা চেয়ে  কালাপাহাড় ভয়ে মন্দির ছেড়ে চলে যায় ।
তবে ভক্তদের কাছে দেবী বর্গভীমা মাতৃরূপা। স্নেহময়ী জননী।

একসময় মারাঠা বর্গীরাও এই স্থানে আক্রমণ করে লুঠপাঠ করতে  এসেছিল। তবে তারা মন্দির লুঠপাঠ না করে দেবী বর্গভীমার পূজো দিয়ে যায় বলে শোনা যায়।মায়ের আছে তিন নয়ন। চন্দ্র, সূর্য আর হূতাশন। জয় মা🙏🙏🌷🌷
ভারতের অন্যান্য মন্দিরের মত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক এ  সতিপীঠ মা বর্গভীমার মন্দির ধ্বংস করতে এখানেও  এসেছিল  কালাপাহাড় । কালাপাহাড় মায়ের মন্দির ও মূর্তি ভাঙ্গতে উদ্যত হচ্ছে, পুরোহিত ও প্রজারা কালাপাহাড়ের কাছে কাকুতি মিনতি করছেন। কিন্তু কালাপাহাড় নিজের জেদে অটল হয়ে তরবারি নিয়ে মন্দিরে ঢুকল। মূর্তি খন্ড- বিখণ্ড করবেই। কিন্তু ঢোকামাত্রই তিনি দেবী বর্গভীমার দিকে চেয়ে এক আশ্চর্য দৃশ্য দেখল। দেবীর স্থানে অবস্থান করছেন তার নিজের গর্ভধারিণী জননী। এই অদ্ভুত দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত হল কালাপাহাড় । এখন স্বীয় জননীর ওপর  কিভাবে তরবারি চালাবে - বুঝতে পারল না। শেষ এ ভূমিতে বসে ক্ষমা প্রার্থনা করল, তারপর সেখান থেকে ফিরে গেল। মন্দির ধ্বংস করা আর হল না।
আবার অনেকের মতে,,,
কালাপাহাড়ের মন্দির ও মূর্তি  না ভাঙবার পেছনে আরো একটি মত প্রচলিত। কালাপাহাড় দেবী বর্গভীমার মূর্তি ভাঙ্গতে মন্দিরে প্রবেশমাত্র দেবীর ভয়ানক উগ্রা মূর্তি দেখে। হস্তে রক্তমাখা খড়গ, চতুর্ভুজা, শবের ওপর আসীনা, ত্রিশূল ও মুণ্ড ধারিনী। অতীব ভয়ানক সেই দেবীর বিকটা মূর্তি দেখে কালাপাহাড়ের মূর্তি বা মন্দির  ভাঙ্গতে সাহস হয় নি। কারন সে ভেবেছিল, এই দেবীকে আঘাত দিলে তার ও তার সেনা, সকলের ধ্বংস অনিবার্য। তাই ক্ষমা চেয়ে  কালাপাহাড় ভয়ে মন্দির ছেড়ে চলে যায় ।
তবে ভক্তদের কাছে দেবী বর্গভীমা মাতৃরূপা। স্নেহময়ী জননী।

একসময় মারাঠা বর্গীরাও এই স্থানে আক্রমণ করে লুঠপাঠ করতে  এসেছিল। তবে তারা মন্দির লুঠপাঠ না করে দেবী বর্গভীমার পূজো দিয়ে যায় বলে শোনা যায়।মায়ের আছে তিন নয়ন। চন্দ্র, সূর্য আর হূতাশন। জয় মা🙏🙏🌷🌷
ভারতের অন্যান্য মন্দিরের মত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক এ  সতিপীঠ মা বর্গভীমার মন্দির ধ্বংস করতে এখানেও  এসেছিল  কালাপাহাড় । কালাপাহাড় মায়ের মন্দির ও মূর্তি ভাঙ্গতে উদ্যত হচ্ছে, পুরোহিত ও প্রজারা কালাপাহাড়ের কাছে কাকুতি মিনতি করছেন। কিন্তু কালাপাহাড় নিজের জেদে অটল হয়ে তরবারি নিয়ে মন্দিরে ঢুকল। মূর্তি খন্ড- বিখণ্ড করবেই। কিন্তু ঢোকামাত্রই তিনি দেবী বর্গভীমার দিকে চেয়ে এক আশ্চর্য দৃশ্য দেখল। দেবীর স্থানে অবস্থান করছেন তার নিজের গর্ভধারিণী জননী। এই অদ্ভুত দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত হল কালাপাহাড় । এখন স্বীয় জননীর ওপর  কিভাবে তরবারি চালাবে - বুঝতে পারল না। শেষ এ ভূমিতে বসে ক্ষমা প্রার্থনা করল, তারপর সেখান থেকে ফিরে গেল। মন্দির ধ্বংস করা আর হল না।
আবার অনেকের মতে,,,
কালাপাহাড়ের মন্দির ও মূর্তি  না ভাঙবার পেছনে আরো একটি মত প্রচলিত। কালাপাহাড় দেবী বর্গভীমার মূর্তি ভাঙ্গতে মন্দিরে প্রবেশমাত্র দেবীর ভয়ানক উগ্রা মূর্তি দেখে। হস্তে রক্তমাখা খড়গ, চতুর্ভুজা, শবের ওপর আসীনা, ত্রিশূল ও মুণ্ড ধারিনী। অতীব ভয়ানক সেই দেবীর বিকটা মূর্তি দেখে কালাপাহাড়ের মূর্তি বা মন্দির  ভাঙ্গতে সাহস হয় নি। কারন সে ভেবেছিল, এই দেবীকে আঘাত দিলে তার ও তার সেনা, সকলের ধ্বংস অনিবার্য। তাই ক্ষমা চেয়ে  কালাপাহাড় ভয়ে মন্দির ছেড়ে চলে যায় ।
তবে ভক্তদের কাছে দেবী বর্গভীমা মাতৃরূপা। স্নেহময়ী জননী।

একসময় মারাঠা বর্গীরাও এই স্থানে আক্রমণ করে লুঠপাঠ করতে  এসেছিল। তবে তারা মন্দির লুঠপাঠ না করে দেবী বর্গভীমার পূজো দিয়ে যায় বলে শোনা যায়।মায়ের আছে তিন নয়ন। চন্দ্র, সূর্য আর হূতাশন। জয় মা🙏🙏🌷🌷

+16 प्रतिक्रिया 1 कॉमेंट्स • 5 शेयर

कामेंट्स

Diptesh Paul Apr 9, 2021
@মাদূর্গা শুভ সকাল দিদি । চলে যাচ্ছ কেন দিদি? মন খারাপ কোরো না দিদি । সব ঠিক হয়ে যাবে ।

Umesh Sharma Apr 17, 2021

+1 प्रतिक्रिया 1 कॉमेंट्स • 0 शेयर

+29 प्रतिक्रिया 5 कॉमेंट्स • 39 शेयर

+16 प्रतिक्रिया 1 कॉमेंट्स • 26 शेयर

+21 प्रतिक्रिया 5 कॉमेंट्स • 1 शेयर

+11 प्रतिक्रिया 0 कॉमेंट्स • 16 शेयर
Mamta Chauhan Apr 17, 2021

+162 प्रतिक्रिया 36 कॉमेंट्स • 34 शेयर
🌷Om Sai Shyam🌷 Apr 17, 2021

+3 प्रतिक्रिया 1 कॉमेंट्स • 3 शेयर
Ramesh Kumar Shiwani Apr 17, 2021

+13 प्रतिक्रिया 2 कॉमेंट्स • 54 शेयर

भारत का एकमात्र धार्मिक सोशल नेटवर्क

Rate mymandir on the Play Store
5000 से भी ज़्यादा 5 स्टार रेटिंग
डेली-दर्शन, भजन, धार्मिक फ़ोटो और वीडियो * अपने त्योहारों और मंदिरों की फ़ोटो शेयर करें * पसंद के पोस्ट ऑफ़्लाइन सेव करें
सिर्फ़ 4.5MB