मायमंदिर फ़्री कुंडली
डाउनलोड करें
mymandir Bangla
mymandir Bangla Jul 12, 2019

🚩আজ প্রভু জগন্নাথ দেবের পূর্ণযাত্রা 🚩 শ্রীমন্দির থেকে ভাই বোন কে নিয়ে জগন্নাথ দেবের তাঁর মাসির বাড়ি অর্থাৎ গুন্ডিচা মন্দির থেকে ফেরার দিন আজ। কিন্তু যে রথে চড়ে এনারা যাত্রা করেন,তা মোটেই কোন স্বাভাবিক রথ নয়। এই রথের মধ্যে লুকিয়ে আছে আরো অনেক রহস্য, অনেক অজানা তথ্য, বহু দেব ও দেবীগণ। 💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐 🌷🌿🚩 জগন্নাথদেবের রথ 🚩🌿🌷 💠দারুহরি জগন্নাথদেব যে রথে বিরাজ করেন, সেটির নাম- #নন্দীঘোষ। অনেকে রথটিকে 'গরুড়ধ্বজ' বা 'কপিধ্বজ'ও বলে থাকেন। 💠রক্ত ও পীত অর্থাৎ লাল ও হলুদ বস্ত্রদ্বারা রথটি আচ্ছাদিত থাকে। ❤💛 💠রথের ১৬টি চাকা, প্রতিটির ব্যস ৭ ফুট। ১৬টি চাকা চন্দ্রের ষোলটি কলার প্রতীক, কারণ রথের আরোহী ষোলকলাযুক্ত জগন্মোহন হলেন স্বয়ং পূর্ণব্রহ্মের পূর্ণপ্রকাশ। 💠রথটির উচ্চতা প্রায় ৪৫ ফুট এবং ৮৩২টি কাষ্ঠখণ্ড দ্বারা নির্মিত। 💠রথের উপরে যে পতাকাটি উড্ডীন, তার নাম "ত্রৈলোক্যমোহিনী"। 🚩 💠রথের সম্মুখে চারটে সাদা ঘোড়া সংযুক্ত রয়েছে। অশ্ব চারটির নাম- 'শঙ্খ', 'বলাহক','শ্বেত' ও 'হরিদাশ্ব'। 🎠🎠🎠🎠 💠রথের মুখ "নন্দীমুখ"। 💠রথগাত্রে শঙ্খ ও চক্র চিহ্নদ্বয় সবদিক থেকে দেখা যায়। 💠রথের দড়ির নাম "শঙ্খচূড়"। 💠সুবৃহৎ এই রথটি স্বয়ং গরুড় কর্তৃক সর্বদা রক্ষিত। পণ্ডিতদের মতানুযায়ী দিব্যদেহধারী "জয়" ও "বিজয়" রথের দ্বারদেশে পাহারা দেন।⚔ 💠রথের সারথির নাম 'দারুক'।♐ 💠জগন্নাথ ছাড়াও আরও অনেক দেবদেবীগণ এই রথে থাকেন। বরাহ, গোবর্ধন, কৃষ্ণ, নরসিংহ, রাম, নারায়ণ, ত্রিবিক্রম, হনুমান ও রুদ্র- এই নয়জন দেবতা যাত্রাকালে জগন্নাথদেবের রথে থাকেন। ঋষিগণের মধ্যে থাকেন নারদ, দেবল, ব্যাস, শুক, পরাশর, বশিষ্ঠ, বিশ্বামিত্র ও রুদ্র। পুরীর রক্ষাকর্ত্রী বা শক্তি দেবী বিমলাও সবসময়ে প্রভুর সহিত পূর্ণশক্তিতে আবির্ভূতা এবং রথের প্রধান আসনে আসীন জগদীশ্বর জগন্নাথদেব। 🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 🌷🌿🚩#বলভদ্রের রথ 🚩🌿🌷 💠জগন্নাথদেবের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা বলরাম যে রথে অধিষ্ঠান করেন, তাঁর নাম #তালধ্বজ। 🚩 💠রথটি সবুজ ও লাল বস্ত্রে আচ্ছাদিত❤💚 💠রথের চাকা ১৪টি, প্রতিটির ব্যস ৬ ফুট। ১৪টি চাকা মানে ১৪টি ভুবন। বলভদ্র হল গুরুতত্ত্ব। গুরুতত্ত্বের অধীন ১৪টি ভূবন। 💠রথের উচ্চতা ৪৪ফুট এবং সুবৃহৎ এই রথটি ৭৬৩ কাষ্ঠখণ্ড দ্বারা নির্মিত। 💠রথের সঙ্গে ৪টে কৃষ্ণবর্ণের ঘোড়া সংযুক্ত রয়েছে। অশ্ব চারটের নাম- 'তীব্র', 'ঘোরা', 'দীর্ঘাশ্রম' ও 'স্বর্ণাভ'।🐎🐎🐎🐎 💠সারথির নাম 'মাতলি'। 💠রথের মুখ "কেতুভদ্রমুখ" এবং রক্ষক হলেন 'বসুদেব'। 💠রথগাত্রে প্রথিত রয়েছে "হল" ও "মুষল" অস্ত্রদ্বয়। ⛏ 💠রথোপরি উড্ডীন পতাকাটির নাম "উন্নানি"। 💠রথের দ্বারপাল হিসেবে "নন্দ" ও "সুনন্দ" দুই বলশালী দেব সদা দণ্ডায়মান। 💠রথের দড়ির নাম "বাসুকি"। 💠জগন্নাথের রথের মতো এই রথেও গনেশ, কার্তিকেয়, সর্বমঙ্গলা, প্রলম্বরী, হলায়ুধ, মৃত্যুঞ্জয়, নাট্যম্বর, মুক্তেশ্বর এবং শেষদেব- এই নয়জন পরমশক্তিধর দেবতা শ্রীশ্রীবলরামের সঙ্গে রথে আরোহণ করেন। ঋষিগণের মধ্যে অঙ্গীরা, পুলস্ত্য, পুলহ, অসস্তি, কৃষ্ণ, মুদ্গল, আত্রেয়, কাশ্যপ, প্রভৃতি। ব্রহ্মা ও শিবরূপী শক্তি সর্বদা রথের সাথে সাথে চলায়মান। 🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 🌷🌿🚩 #সুভদ্রাদেবীর রথ 🚩🌿🌷 💠শ্রী বরাদ্দ ও জগন্নাথদেবের পরম আদরের ভগিনী শ্রীশ্রীসুভদ্রার রথটি "দর্পদলন" নামে পরিচিত। "দেবদলন" ও "পদ্মধ্বজ" নামেও এই রথটিকে অভিহিত করা হয়। 💠লাল ও কালো বস্ত্রে ঢাকা এই রথ।❤🖤 💠এই রথটি ৪৩ফুট উঁচু ও ৫৯৩ কাষ্ঠখণ্ড দিয়ে তৈরি। 💠১২টি চাকাযুক্ত(প্রতিটির ব্যস ৫ ফুট) রথটিতে চারটে রক্তিম বর্ণের ঘোড়া রয়েছে। তাদের নাম- 'রোচিকা', 'মোচিকা', 'জিতা' ও 'অপরাজিতা'।🐎🐎🐎🐎 💠রথের সারথি স্বয়ং তাঁর পতি "অর্জুন"। 💠রথের দড়ির নাম "স্বর্ণচূড়া"। 💠রথোপরি উড্ডীন পতাকাটির নাম "নাদাম্বিকা"🚩 💠"পদ্ম" ও "কল্হর" নামক পুষ্পদ্বয় রথগাত্রে প্রথিত। 🌷🏵 💠রথের দ্বারদেশে "গঙ্গা" ও "যমুনা" দ্বাররক্ষিকারূপে দণ্ডায়মান। 💠রথটির মুখ "ভক্তিসুমেধমুখ" বা "চামরহস্তমুখ"। 💠সমগ্র রথটি দেবী জয়দুর্গা প্রতিক্ষণে রক্ষা করে চলেন। 💠জগন্নাথ ও বলরামের রথের মতই এই রথটিতেও বহু দেবদেবীর সমাবেশ। চণ্ডী, চামুণ্ডা, উগ্রতারা, বনদুর্গা, শূলীদুর্গা, বরাহী, শ্যামাকালী, মঙ্গলা ও বিমলা- এই নবদৈবীশক্তিগণ পরিবৃতা হয়ে শ্রীশ্রীসুভদ্রা মাতা রথে আরূঢ় থাকেন। দিব্য ঋষিগণ, যথা- ভৃগু, সুপ্রভ, বজ্র, শৃঙ্গী, ধ্রুব, উল্লুক, প্রভৃতি রথে উপস্থিত থাকেন। রথের শক্তিরূপে ভুবনেশ্বরী সর্বদাই প্রকাশিত। 💠এবং সর্বোপরি উল্লেখযোগায, জগন্নাথদেবের সুদর্শন এই সময়ে তাঁর পাশে নন, শোভা পান সুভদ্রাদেবীর রথে,তাঁরই পাশে। 🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩 🌼রথ চলার সময় কাঠের কড়কড় শব্দ হয়, এটিকে বলা হয় বেদ। 🍁রথ যখন চলে প্রথমে থাকে বলদেবের রথ। কারণ বলদেব দাদা। আবার তিনি জগত গুরুতত্ত্ব। তিনিই তো নিত্যানন্দ । সবার জীবনে আগে গুরুকৃপা আসতে হবে। তাই বলরামের রথ সর্বপ্রথম। 🍁তারপর চলে সুভদ্রার রথ। সুভদ্রা হল ভক্তি তত্ত্ব। গুরুকৃপার পর আসে ভক্তিমহারাণী। কারণ ভক্তির ঠিকানা শ্রীগুরুপদে। 🌼তারপর যায় জগন্নাথের রথ। প্রথমে গুরুদেব, তারপর ভক্তি, তারপর ভগবান।। 🙏।।জয় জগন্নাথ। জয় সুভদ্রা। জয় বলরাম।।🙏

🚩আজ প্রভু জগন্নাথ দেবের পূর্ণযাত্রা 🚩

শ্রীমন্দির থেকে ভাই বোন কে নিয়ে জগন্নাথ দেবের তাঁর মাসির বাড়ি অর্থাৎ গুন্ডিচা মন্দির থেকে ফেরার দিন আজ। কিন্তু যে রথে চড়ে এনারা যাত্রা করেন,তা মোটেই কোন স্বাভাবিক রথ নয়। এই রথের মধ্যে লুকিয়ে আছে আরো অনেক রহস্য, অনেক অজানা তথ্য, বহু দেব ও দেবীগণ। 
💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐💐

🌷🌿🚩 জগন্নাথদেবের রথ 🚩🌿🌷

💠দারুহরি জগন্নাথদেব যে রথে বিরাজ করেন, সেটির নাম- #নন্দীঘোষ। অনেকে রথটিকে 'গরুড়ধ্বজ' বা 'কপিধ্বজ'ও বলে থাকেন। 
💠রক্ত ও পীত অর্থাৎ লাল ও হলুদ বস্ত্রদ্বারা রথটি আচ্ছাদিত থাকে। ❤💛
💠রথের ১৬টি চাকা, প্রতিটির ব্যস ৭ ফুট। ১৬টি চাকা চন্দ্রের ষোলটি কলার প্রতীক, কারণ রথের আরোহী ষোলকলাযুক্ত জগন্মোহন হলেন স্বয়ং পূর্ণব্রহ্মের পূর্ণপ্রকাশ।
💠রথটির উচ্চতা প্রায় ৪৫ ফুট এবং ৮৩২টি কাষ্ঠখণ্ড দ্বারা নির্মিত। 
💠রথের উপরে যে পতাকাটি উড্ডীন, তার নাম "ত্রৈলোক্যমোহিনী"। 🚩
💠রথের সম্মুখে চারটে সাদা ঘোড়া সংযুক্ত রয়েছে। অশ্ব চারটির নাম- 'শঙ্খ', 'বলাহক','শ্বেত' ও 'হরিদাশ্ব'। 🎠🎠🎠🎠
💠রথের মুখ "নন্দীমুখ"। 
💠রথগাত্রে শঙ্খ ও চক্র চিহ্নদ্বয় সবদিক থেকে দেখা যায়। 
💠রথের দড়ির নাম "শঙ্খচূড়"। 
💠সুবৃহৎ এই রথটি স্বয়ং গরুড় কর্তৃক সর্বদা রক্ষিত। পণ্ডিতদের মতানুযায়ী দিব্যদেহধারী "জয়" ও "বিজয়" রথের দ্বারদেশে পাহারা দেন।⚔
💠রথের সারথির নাম 'দারুক'।♐
💠জগন্নাথ ছাড়াও আরও অনেক দেবদেবীগণ এই রথে থাকেন। বরাহ, গোবর্ধন, কৃষ্ণ, নরসিংহ, রাম, নারায়ণ, ত্রিবিক্রম, হনুমান ও রুদ্র- এই নয়জন দেবতা যাত্রাকালে জগন্নাথদেবের রথে থাকেন। ঋষিগণের মধ্যে থাকেন নারদ, দেবল, ব্যাস, শুক, পরাশর, বশিষ্ঠ, বিশ্বামিত্র ও রুদ্র। পুরীর রক্ষাকর্ত্রী বা শক্তি দেবী বিমলাও সবসময়ে প্রভুর সহিত পূর্ণশক্তিতে আবির্ভূতা এবং রথের প্রধান আসনে আসীন জগদীশ্বর জগন্নাথদেব।
🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼🌷🌼
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

🌷🌿🚩#বলভদ্রের রথ 🚩🌿🌷

💠জগন্নাথদেবের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা বলরাম যে রথে অধিষ্ঠান করেন, তাঁর নাম #তালধ্বজ। 🚩
💠রথটি সবুজ ও লাল বস্ত্রে আচ্ছাদিত❤💚 💠রথের চাকা ১৪টি, প্রতিটির ব্যস ৬ ফুট। ১৪টি চাকা মানে ১৪টি ভুবন। বলভদ্র হল গুরুতত্ত্ব। গুরুতত্ত্বের অধীন ১৪টি ভূবন।
💠রথের উচ্চতা ৪৪ফুট এবং সুবৃহৎ এই রথটি ৭৬৩ কাষ্ঠখণ্ড দ্বারা নির্মিত। 
💠রথের সঙ্গে ৪টে কৃষ্ণবর্ণের ঘোড়া সংযুক্ত রয়েছে। অশ্ব চারটের নাম- 'তীব্র', 'ঘোরা', 'দীর্ঘাশ্রম' ও 'স্বর্ণাভ'।🐎🐎🐎🐎
💠সারথির নাম 'মাতলি'। 
💠রথের মুখ "কেতুভদ্রমুখ" এবং রক্ষক হলেন 'বসুদেব'। 
💠রথগাত্রে প্রথিত রয়েছে "হল" ও "মুষল" অস্ত্রদ্বয়। ⛏
💠রথোপরি উড্ডীন পতাকাটির নাম "উন্নানি"। 💠রথের দ্বারপাল হিসেবে "নন্দ" ও "সুনন্দ" দুই বলশালী দেব সদা দণ্ডায়মান। 
💠রথের দড়ির নাম "বাসুকি"। 
💠জগন্নাথের রথের মতো এই রথেও গনেশ, কার্তিকেয়, সর্বমঙ্গলা, প্রলম্বরী, হলায়ুধ, মৃত্যুঞ্জয়, নাট্যম্বর, মুক্তেশ্বর এবং শেষদেব- এই নয়জন পরমশক্তিধর দেবতা শ্রীশ্রীবলরামের সঙ্গে রথে আরোহণ করেন। ঋষিগণের মধ্যে অঙ্গীরা, পুলস্ত্য, পুলহ, অসস্তি, কৃষ্ণ, মুদ্গল, আত্রেয়, কাশ্যপ, প্রভৃতি। ব্রহ্মা ও শিবরূপী শক্তি সর্বদা রথের সাথে সাথে চলায়মান।
🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸🌷🌸
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

🌷🌿🚩 #সুভদ্রাদেবীর রথ 🚩🌿🌷

💠শ্রী বরাদ্দ ও জগন্নাথদেবের পরম আদরের ভগিনী শ্রীশ্রীসুভদ্রার রথটি "দর্পদলন" নামে পরিচিত। "দেবদলন" ও "পদ্মধ্বজ" নামেও এই রথটিকে অভিহিত করা হয়। 
💠লাল ও কালো বস্ত্রে ঢাকা এই রথ।❤🖤
💠এই রথটি ৪৩ফুট উঁচু ও ৫৯৩ কাষ্ঠখণ্ড দিয়ে তৈরি।
💠১২টি চাকাযুক্ত(প্রতিটির ব্যস ৫ ফুট) রথটিতে চারটে রক্তিম বর্ণের ঘোড়া রয়েছে।
তাদের নাম- 'রোচিকা', 'মোচিকা', 'জিতা' ও 'অপরাজিতা'।🐎🐎🐎🐎
💠রথের সারথি স্বয়ং তাঁর পতি "অর্জুন"। 
💠রথের দড়ির নাম "স্বর্ণচূড়া"। 
💠রথোপরি উড্ডীন পতাকাটির নাম "নাদাম্বিকা"🚩 
💠"পদ্ম" ও "কল্হর" নামক পুষ্পদ্বয় রথগাত্রে প্রথিত। 🌷🏵 
💠রথের দ্বারদেশে "গঙ্গা" ও "যমুনা" দ্বাররক্ষিকারূপে দণ্ডায়মান।
💠রথটির মুখ "ভক্তিসুমেধমুখ" বা "চামরহস্তমুখ"। 
💠সমগ্র রথটি দেবী জয়দুর্গা প্রতিক্ষণে রক্ষা করে চলেন। 
💠জগন্নাথ ও বলরামের রথের মতই এই রথটিতেও বহু দেবদেবীর সমাবেশ। চণ্ডী, চামুণ্ডা, উগ্রতারা, বনদুর্গা, শূলীদুর্গা, বরাহী, শ্যামাকালী, মঙ্গলা ও বিমলা- এই নবদৈবীশক্তিগণ পরিবৃতা হয়ে শ্রীশ্রীসুভদ্রা মাতা রথে আরূঢ় থাকেন। দিব্য ঋষিগণ, যথা- ভৃগু, সুপ্রভ, বজ্র, শৃঙ্গী, ধ্রুব, উল্লুক, প্রভৃতি রথে উপস্থিত থাকেন। রথের শক্তিরূপে ভুবনেশ্বরী সর্বদাই প্রকাশিত।
💠এবং সর্বোপরি উল্লেখযোগায, জগন্নাথদেবের সুদর্শন এই সময়ে তাঁর পাশে নন, শোভা পান সুভদ্রাদেবীর রথে,তাঁরই পাশে।
🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵🌷🏵
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

 🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩
🌼রথ চলার সময় কাঠের কড়কড় শব্দ হয়, এটিকে বলা হয় বেদ।
🍁রথ যখন চলে প্রথমে থাকে বলদেবের রথ। কারণ বলদেব দাদা। আবার তিনি জগত গুরুতত্ত্ব। তিনিই তো নিত্যানন্দ ।
সবার জীবনে আগে গুরুকৃপা আসতে হবে। তাই বলরামের রথ সর্বপ্রথম।
🍁তারপর চলে সুভদ্রার রথ। সুভদ্রা হল ভক্তি তত্ত্ব। গুরুকৃপার পর আসে ভক্তিমহারাণী। কারণ ভক্তির ঠিকানা শ্রীগুরুপদে। 
🌼তারপর যায় জগন্নাথের রথ।
প্রথমে গুরুদেব, তারপর ভক্তি, তারপর ভগবান।।  
🙏।।জয় জগন্নাথ। জয় সুভদ্রা। জয় বলরাম।।🙏

+75 प्रतिक्रिया 19 कॉमेंट्स • 74 शेयर

कामेंट्स

Bipul Jul 12, 2019
জয় জগন্নাথ দেবের জয়

Mistu Jul 12, 2019
pronam gurudeb. joy boloram. joy suvodra. joy joggonnath. 💐👏💐👏💐💝💝💝💝💝💝💝💝💝

Mistu Jul 12, 2019
1oo koti 💐💐💐👏👏👏

AVIk jash Jul 14, 2019
শতকোটি প্রনাম

swapan Banerjee Jul 15, 2019
Joy Jagannath Jagatpate Gopesh Gopikakanta Radha kanta Namastute. prabhu Tomar Charaney Amay sthahan Dou.

একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, নিয়মিত ১০০ গ্রাম করে সিদ্ধ পালংশাক অথবা এক গ্লাস পলংয়ের রস খাওয়া শুরু করলে শরীরে ডায়াটারি ফাইবারের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে বহুক্ষণ পেটভরা থাকে। আর এমনটা হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই বারে বারে খাওয়ার প্রবণতা কমে। আর কম পরি...

(पूरा पढ़ें)
+7 प्रतिक्रिया 1 कॉमेंट्स • 3 शेयर

মাঝে মাঝে আমাদের মনে হয়, এই জীবনের কোন অর্থ নেই৷ এই জীবন থেকে সবসময় কষ্ট, দুঃখ, হতাশাই পেয়ে গেলাম। এই জীবন থাকার চেয়ে না থাকাই ভালো। জীবনের প্রতি একপ্রকার বিরক্তিও চলে আসে।

আমাদের প্রত্যেকের জীবনেই প্রতিনিয়ত কোন না কোন সমস্যা থাকছেই। আমরা সবাই আ...

(पूरा पढ़ें)
+5 प्रतिक्रिया 1 कॉमेंट्स • 11 शेयर

+2 प्रतिक्रिया 0 कॉमेंट्स • 0 शेयर

भारत का एकमात्र धार्मिक सोशल नेटवर्क

Rate mymandir on the Play Store
5000 से भी ज़्यादा 5 स्टार रेटिंग
डेली-दर्शन, भजन, धार्मिक फ़ोटो और वीडियो * अपने त्योहारों और मंदिरों की फ़ोटो शेयर करें * पसंद के पोस्ट ऑफ़्लाइन सेव करें
सिर्फ़ 4.5MB